উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে দশটায় চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমের ‘ড্র’ এবং বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করা হয়। সেরা ফরোয়ার্ডও হয়েছেন পর্তুগিজ তারকা।
মোনাকোয় আলো ঝলমলে অনুষ্ঠানে রোনালদো উপস্থিত ছিলেন। নিজ হাতেই পুরষ্কার গ্রহণ করেন। গত মৌসুমে রিয়ালকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতাতে ১২ গোল করার পাশাপাশি ৬টিতে অবদান ছিল তার।
সঙ্গে ক্লাবের হয়ে কাটানো দুর্দান্ত একটি মৌসুমের শেষে রিয়ালকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও লা লিগার ডাবল জেতাতে ভূমিকা রেখেছেন রোনালদো। লা লিগায় করেছিলেন ২৫ গোল। উয়েফা সুপার কাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপ জয়েও ছিল অবদান।
জুন-জুলাইয়ে ফিফা কনফেডারেশন্স কাপে পর্তুগালকে সেমিফাইনালে তোলার পথেও অবদান ছিল। রোনালদো এই প্রতিযোগিতায় দুটি গোল করেছেন। সঙ্গে রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে ৫ ম্যাচে ১১টি গোল করে জাতীয় দলের হয়েও আলো ছড়িয়েছেন।
মেসি এবং রোনালদো আগে দুবার করে উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন। সিআর সেভেন ছিলেন সর্বশেষ বিজয়ীও। এতে টানা দ্বিতীয় ও সর্বোচ্চ তিনবারের বিজয়ীর রেকর্ডটিও এখন তারই দখলে। মেসি ২০১১ ও ২০১৫ সালে, রোনালদো ২০১৪ ও ২০১৬ সালে জিতেছিলেন। আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা ২০১২ এবং ফ্রাঙ্ক রিবেরি ২০১৩ সালে এই খেতাব হাতে তোলেন।
এদিন সেরা গোলরক্ষক হিসেবে ৩৯ বছর বয়সী বুফনের নাম ঘোষণা করা হয়। এই বয়সে এসে সেরা গোলরক্ষকের পুরস্কার নিতে পারায় নিজেকে গর্বিত বলেন বুফন। উপস্থাপিকা তাকে দেখেই বলে ওঠেন, ‘আপনি তো এখনো তরুণ। রহস্য কী?’
উত্তরে হাসতে হাসতে জুভেন্টাস তারকা বুফন বলেন, ‘আমি ক্ষুধার্ত আর বোকা থাকি বলেই এখনও তরুণ!’
মৌসুমের সেরা ডিফেন্ডার নির্বাচিত হয়েছেন রিয়ালের আরেক তারকা সার্জিও রামোস। সেরা মিডফিল্ডারও রিয়ালের, লুকা মডরিচ। আর বর্ষসেরা নারী ফুটবলার হয়েছেন লিকে মার্টেনস।
উয়েফার অঞ্চলভুক্ত ক্লাবগুলোতে খেলা ফুটবলারদের মধ্যে ঘরোয়া, মহাদেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার সেরা পারফর্মারদের থেকে নির্বাচন করা হয় উয়েফার এইসব সেরা বিজয়ীকে।








