মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে। উত্তাল রয়েছে নদ নদীগুলো।
চট্টগ্রাম কক্সবাজার মংলা এবং পয়রা সমুদ্র বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সর্তক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
বরগুনায় ভারি বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। বৃষ্টি আর ভাঙা বেরিবাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে জেলার নিম্নাঞ্চল।
মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে বুধবার সকাল ৬টা পর্যন্ত জেলায় ১শ’ ৫৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
ভোলায় লঘুচাপরের প্রভাবে মেঘনা নদী উত্তাল রয়েছে। দিনভর গুড়িগুড়ি বৃষ্টি ও সাথে বইছে ঝড়ো হাওয়া। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ছোট ছোট নৌযান ও মাছ ধরা ট্রলারগুলোকে নিরাপদে থাকতে বলা হয়েছে। জেলার উপকূলীয় এলাকায় ২ নম্বর সতর্ক সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া অফিস।
পটুয়াখালীতে পূবালী ঝড়ো বাতাসের সাথে থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। জোয়ারে প্লাবিত হয়েছে উপকূলের নিম্নাঞ্চল। সাগর উত্তাল থাকায় মহিপুর, আলীপুর, রাঙ্গাবালী, চরমোন্তাজসহ উপকূলে অন্তত ৫ হাজার মাছধরা ট্রলার নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছে।
ফিরে আসা ট্রলারের মাঝিমাল্লারা জানান, উপকূলে এখনও শত শত ট্রলার ফেরার পথে রয়েছে। অভ্যন্তরীণ নদীতে সকল ছোট নৌযান চলাচলে নিষেধজ্ঞা আরোপ করেছে নদীবন্দর কর্তৃপক্ষ।
সাতক্ষীরায় টানা বৃষ্টিতে পৌর এলাকাসহ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। অনেক এলাকায় বাড়ি-ঘরে পানি উঠেছে। ডুবে গেছে রাস্তা-ঘাট। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে সাতক্ষীরা বিসিক শিল্পনগরী। তালা উপজেলা পরিষদের অফিস কক্ষে পানি উঠে গেছে।
২ নম্বর সর্তক সংকেত থাকায় বরিশালে নৌযানগুলোকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছে নৌ বন্দর কর্তপক্ষ। বইছে ঝড়ো হাওয়া।
ভোর রাত থেকে চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকায় হালকা থেকে মাঝারী বৃষ্টি হচ্ছে। চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামী ২/৩দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।







