দেশের উত্তর এবং মধ্যাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও দক্ষিণাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বেড়েছে। বাগেরহাট এবং ভোলায় বাঁধ ভেঙ্গে অর্ধশতাধিক গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। পানিতে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ।
উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢল এবং প্রমত্তা মেঘনার জোয়ারের পানিতে ভোলার তিন উপজেলার অন্তত ৪০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সদর উপজেলার ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি এলাকায় মেঘনার তীরবর্তী বাঁধ ভেঙ্গে মেদুয়া, চর মনসা, চর আনন্দ, সোনাপুর, কন্দকপুর, কালুপুর, উত্তর ইলিশা, সোনা ডুগিসহ অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বাগেরহাটের ভৈরব নদীর পানি বেড়ে কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। শত শত ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ায় পানিতে আটকা পড়েছে কয়েক হাজার পরিবার। দ্রুত বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবি তাদের।
তবে উত্তরাঞ্চলে নদ-নদীর পানি কমছে। কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখনও দুর্ভোগ কমেনি বন্যা কবলিত এলাকার মানুষজনের। নিম্নাঞ্চলের অনেক পরিবার এখনও তাদের ক্ষতিগ্রস্থ ঘর-বাড়িতে ফিরতে না পারায় বাঁধ ও পাকা সড়কে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। হাতে কাজ ও ঘরে সঞ্চিত খাবার না থাকায় খাদ্য সংকটে পড়েছে বন্যা দুর্গতরা।
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি কমছে অব্যাহতভাবে। শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বইছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ অধিকাংশ মানুষ নিজেদের বসতবাড়িতে ফিরলেও সেখানে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্ধহারে-অনাহারে জীবন যাপন করছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে এখনো সংস্কার কাজ শুরু হয়নি।







