ফ্রান্স-পর্তুগাল ফাইনাল ম্যাচ সামনে রেখে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে রাখা হয়েছে প্যারিস। যদি ফ্রান্স শিরোপা জিতে তাহলে নিরাপত্তার কারণে কোনো আনন্দ র্যালি হবে না সেখানে। ফ্রান্সের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শুরু হবে ম্যাচ।
যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে ৬৮ হাজার পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। ম্যাচ চলাকালীন ও শেষে স্টেডিয়াম, দর্শক জোন এবং চ্যাম্পস ইলিসিস প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা সদস্যরা ছড়িয়ে থাকবেন।
স্টেডিয়ামের চারপাশে ১ হাজার তিনশ সশস্ত্র পুলিশ ও পুলিশ কর্মকর্তা টহল পরিচালনা করবেন। ৩ হাজার চারশ জন অবস্থান নেবেন চ্যাম্পস ইলিসিস এরিয়ায়, যেখানে বিজয়ী দলের সমর্থকরা শিরোপা উল্লাসে মাতবেন।
আইফেল টাওয়ারের কাছেই ফ্যান (দর্শক) জোন। যেটা নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর পর্যবেক্ষণে থাকবে। রাস্তায় গণপরিবহন ব্যবস্থায় যাতে কোনো ব্যাঘাত সৃষ্টি না হয় তা নিশ্চিতের দায়িত্বে সাতশ পুলিশ অফিসার।
গত নভেম্বরে সন্ত্রাসী হামলায় ১৩০ জন মানুষ নিহত হওয়ার পর থেকে প্যারিসের এই প্রাণকেন্দ্র কড়া পাহাড়ায় রেখেছে পুলিশ ও সেনাবাহিনী। সেসময় বন্দুকধারী, আত্মঘাতী বোমাবাজরা স্টেড ডি ফ্রান্সসহ কয়েকটি ফুটবল ভেন্যুতেও হামলা চালিয়েছিল।
প্যারিসের মেয়র ও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ফ্রান্স শিরোপা জিতলেও নিরাপত্তার কারণে কোনো আনন্দ মিছিল করা যাবে না।
১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এখানে ১০ লাখ লোক জয় উৎযাপন করেছিল।
চলতি আসরে স্টেড ডি ফ্রান্স ও এখানকার অন্য ভেন্যুতে ১১টি ম্যাচ নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে মার্শেইতে দর্শকদের সংঘর্ষ দমনে ব্যর্থতার জন্য সমালোচিত হয়েছে কর্তৃপক্ষ।








