এখন থেকে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা গণিত শিখবে গণিত অলিম্পিয়াড পদ্ধতিতে।
বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে এবং সমস্যা সমাধানভিত্তিক গণিত শিক্ষা প্রবর্তনের প্রত্যয় নিয়ে শুরু হয়েছে গণিত অলিম্পিয়াড পদ্ধতির সম্ভাব্যতা যাচাই প্রকল্প।
“গণিত অলিম্পিয়াড কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের গাণিতিক দক্ষতা বৃদ্ধির সম্ভাব্যতা যাচাই” শীর্ষক এই সমীক্ষা প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।
রোববার প্রকল্পের উদ্বোধনী এবং অবহিতকরণ কর্মশালায় অংশ নেন প্রকল্পের আওতাধীন ৮০টি স্কুলের প্রধান শিক্ষক, ১৭ টি জেলার ১৭টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পিটিআইসমূহের সুপারিন্টেনডেন্টগণ।

রোববার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান এমপি।
তিনি বলেন, আমাদের প্রজন্ম যে স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারিনি সেগুলো পূরণ করবে ভবিষ্যত প্রজন্ম। আমাদের অপূর্ণতাগুলোকে শিক্ষার্থীরাই পূরণ করবে। এতেই গড়ে উঠবে সোনার বাংলাদেশ।
গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল বলেন, এই প্রকল্পটি খুবই ব্যতিক্রম। এর আগে সবসময় দেখেছি বিদেশিরা এসে আমাদের উন্নয়নের পরামর্শ দেয়। এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে আমাদের দেশেই তৈরি গণিত অলিম্পিয়াড পদ্ধতি একদম ছোট্ট শিশুদের মধ্যে প্রয়োগের জন্য। এমন সাহসি পদক্ষেপের জন্য আমি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এবং মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানাই।
এই প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ৮০ টি স্কুলের ২৪০ জন শিক্ষককে গণিত অলিম্পিয়াড পদ্ধতি প্রয়োগ করে গণিত পাঠদান প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। শিক্ষকেরা প্রশিক্ষণ পরবর্তী সময়ে নিজ নিজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ প্রশিক্ষণের প্রয়োগ করবেন।








