তুরস্ক ও হাঙ্গেরির ছাড়পত্রই ছিল সুইডেনের ন্যাটোর সদস্য হবার পথের শেষ বাধা। এবার সেই বাধাই দূর হয়েছে। সম্প্রতি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সুইডেনের ন্যাটোভুক্তির বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে এবং হাঙ্গেরিও দ্রুত সম্মতি দিবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মানে খুব তাড়াতাড়ি ন্যাটোর সদস্য হতে চলেছে সুইডেন।
সংবাদ মাধ্যম ডয়েচ ভেলে জানিয়েছে, গতকাল ২৩ অক্টোবর স্থানীয় সময় সোমবার অবশেষে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সুইডেনের ন্যাটোভুক্তির আবেদনের আপত্তি তুলে নিয়ে তুরস্কের সংসদে সুইডেনের ন্যাটোভুক্তির অনুমোদন দিয়েছেন। গত জুলাই মাসে ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনেই তিনি এই অনুমোদনের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।
ন্যাটোর মহাসচিব ইয়েন্স স্টলটেনবার্গ সুইডেনকে দ্রুত স্বাগত জানানোর আশা প্রকাশ করেন। তিনি আশা করছেন, আগামী ২৮ ও ২৯ নভেম্বর ন্যাটো পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকেই আনুষ্ঠানিকভাবে সুইডেনকে স্বাগত জানানো সম্ভব হবে। স্টলটেনবার্গ আজ মঙ্গলবার দুই দিনের সফরে সুইডেন যাচ্ছেন।
ইউক্রেনের উপর রাশিয়ার হামলার জের ধরে ইউরোপে নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তা আবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। তাই ফিনল্যান্ড ও সুইডেন নিজস্ব নিরপেক্ষতার নীতি বিসর্জন দিয়ে সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফিনল্যান্ডের সদস্যপদ নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা না হলেও সুইডেনকে স্বাগত জানানোর প্রশ্নে তুরস্কের আপত্তি এতকাল ন্যাটোর জন্য অস্বস্তির কারণ ছিল।
মূলত সুইডেনে আশ্রয় নেওয়া ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী’গুলো বিশেষ করে তুরস্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর তালিকাভুক্ত পিকেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে আসছিল তুরস্ক। হাঙ্গেরিও নানা অজুহাত দেখিয়ে সুইডেনের বিপক্ষে ছিল। তবে তুরস্ক ছাড়পত্র দেওয়ার পর হাঙ্গেরিও দ্রুত ছাড়পত্র দিয়ে দিবে বলে আশা করা হচ্ছে।








