মার্কিন সামরিক বাহিনী এই সপ্তাহেই ইরানের উপর হামলা চালানোর প্রস্তুতি নেবে। যদিও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও সিদ্ধান্ত নেননি, যে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র অভিযান অনুমোদন করবেন কিনা। সংবাদমাধ্যম সিএনএন ও সিবিএসের প্রতিবেদনের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।
মধ্যপ্রাচ্যে বৃহৎ সামরিক সমাবেশ, যুদ্ধজাহাজ, যোদ্ধা বিমান ও রিফুয়েলিং বিমান মোতায়েনের মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘস্থায়ী অভিযান চালানোর ভিত্তি তৈরি করা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই পরিস্থিতির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেছে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, হোয়াইট হাউসকে জানানো হয়েছে সামরিক বাহিনী সপ্তাহান্তে হামলার জন্য প্রস্তুত। কিন্তু ট্রাম্প নিশ্চিত নন যে এটি সঠিক পদক্ষেপ হবে কি না। সূত্র জানিয়েছে, ট্রাম্প গোপনে উভয় দিক বিবেচনা করেছেন এবং পরামর্শদাতা ও মিত্রদের মতামত নিয়েছেন।
গত বছর ইরানের উপর হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, চলমান আলোচনায় পারমাণবিক চুক্তির বিকল্প না পাওয়া গেলে তিনি তেহরানের উপর আরও সামরিক অভিযান চালাতে পারেন।
বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৩টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যে। এর মধ্যে রয়েছে একটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার ইউএসএস আব্রাহাম লিনকন, ৯টি ডেস্ট্রয়ার এবং ৩টি লিটারাল কমব্যাট শিপ। আরও জাহাজ আসছে।
গত বছর ইরানের উপর মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলা এবং দেশজুড়ে বিক্ষোভগুলো ইরানি সরকারের ক্ষমতা কমিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, হামলা হলেও ইরান প্রতিশোধ নেবে, তবে ট্রাম্প এবং ইসরায়েল মনে করছেন প্রতিশোধ সীমিত হতে পারে।








