চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

আবারও কেন আওয়ামী লীগকে জয়ী করতে হবে?

প্রফেসর ড. মো. মফিজুর রহমানপ্রফেসর ড. মো. মফিজুর রহমান
৩:৩২ অপরাহ্ন ০৭, জানুয়ারি ২০২৪
মতামত
A A

গত ১৫ বছরে বাংলাদেশ বদলে গেছে। এ এক অন্যরকম বাংলাদেশ। সামগ্রিক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশ আজ মর্যাদাময় স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

গত দেড় দশকে আমাদের চোখের সামনে যে উন্নয়ন বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নেও তা লক্ষণীয়।

২০০৯ সালে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত নীতি অনুযায়ী দেশের ভৌত যোগাযোগ উন্নয়নে মনোনিবেশ করে।

নির্বাচনী ইশতেহার ২০০৮ এর ১৫ দশমিক ১ এ আওয়ামী লীগ উল্লেখ করে: “আপ্রোপ্রিয়েট পলিসি অ্যান্ড প্রোজেক্ট ইমপ্লিমেন্টেশন উয়িল বি আন্ডারটেকেন ইন ট্রান্সপোর্ট, রোড বিল্ডিং, এন এক্সটেসিভ রোড নেটওয়ার্ক ইন ইচ ডিসট্রিক উয়িল কানেক্ট ভিলেজ, ইউনিউন, উপজেলা অ্যান্ড ডিসট্রিক হেডকোয়াটারস।” পরবর্তী ৫ বছরে বাস্তবায়িত অবকাঠামো নির্মাণে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের বাস্তবায়ন সুস্পষ্টভাবে লক্ষণীয়। মূলত সকল মেগা প্রজেক্টের অঙ্গীকার আওয়ামী লীগ বিগত নির্বাচনী ইশতেহারসমূহে করেছে এবং সে অনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করে আজ ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব সাফল্য লাভ করেছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ ঘোষণা করে: “ এ হিউজ প্রোগ্রাম অফ এক্সপেনশন অফ রোড, রেল অ্যান্ড রিভার রুটস উইথ এ ভিউ টু মডার্নাইজ দ্যা ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম অ্যান্ড সিঙ্ক্রোনাইজিং ডেট উইথ ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট ইস বিইং ইমপ্লিমেন্টেড অ্যান্ড বিইং কেরিড ফরওয়ার্ড।” ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ সরকার তার চলমান মেগা প্রজেক্ট ও অন্যান্য ভৌত অবকাঠামো প্রজেক্টগুলোর অগ্রগতি জনগণের নিকট উপস্থাপন করে যার অধিকাংশ ইতোমধ্যে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হয়েছে। ফলে দেশের যোগাযোগ দৃশ্যপট বদলে গেছে।

 

Reneta

 

আওয়ামী লীগ সরকারের এসব মেগা প্রজেক্টগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পদ্মা সেতু। বাংলাদেশের জন্য এই সেতু গর্বের ও অহংকারের। দেশি বিদেশী বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে বর্তমান সরকার বাংলাদেশের মানুষকে ২০২২ সালে পদ্মাসেতু উপহার দিয়েছে। ঐ বছর ২৬ জুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করেন। ৬.১৫ কিলোমিটারের সেতুটি বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের সক্ষমতার প্রতীক। এই সেতু দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগকে সহজ করে তুলেছে।

২১টি জেলার ৩ কোটি মানুষ এর সরাসরি উপকার ভোগ করছে। এই সেতুর সাথে রেল সেতুর সংযুক্তি বহুমাত্রিক দুয়ার খুলেছে। যশোর-বেনাপোল হয়ে পাশ্ববর্তী ভারতের সাথে মানুষের যোগাযোগ ও পণ্য পরিবহনে অভূতপূর্ব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলে শিল্প ও ব্যবসা বাণিজ্যের মাধ্যমে এই সেতু বাংলাদেশের জিডিপি প্রায় ০১ শতাংশ বাড়িয়ে দেবে বলে অর্থনীতিবিদরা পূর্বাভাস দিয়েছেন।

ঢাকা-ভাঙ্গা ৫৫ কিলোমিটারের এক্সপ্রেসওয়ে পদ্মা সেতুর সুবিধাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এটাই বাংলাদেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। পদ্মাসেতু হয়ে এই এক্সপ্রেস ওয়ে দিয়ে মাত্র ৪২ মিনিটে ঢাকা থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় পৌঁছানো যায়। এক্সপ্রেসওয়ের দুই পাশ নয়নাভিরাম ভাবে সাজানো হয়েছে।

৪ ঘণ্টায় এখন ঢাকা থেকে বরিশাল, যশোর ও খুলনার যেকোনো গন্তব্যে পৌঁছানো যায়। এর ফলে মানুষের সময় সাশ্রয় হচ্ছে এবং স্বাচ্ছন্দ্য বেড়েছে। এসব গন্তব্যে পৌছাতে পূর্বে দিবা বা রাত্রি ব্যাপী সময় লেগে যেত। এখন সকালে গিয়ে কাজ সেরে মানুষজন বিকেলে বাড়ি ফিরতে পারছে। ২০২০ সালের ৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করেন। পদ্মায় রেল সেতুর সংযোগ এর বহুমাত্রিক সম্ভাবনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

ইতোমধ্যে ভাঙ্গা পর্যন্ত রেল লাইন চলাচলের উপযোগী হয়েছে। এ লাইন দিয়ে যশোর বেনাপোল ঢাকার সাথে সম্পৃক্ত হবে। ফলে আন্তদেশীয় পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে অপার সম্ভাবনা দ্বার উন্মোচিত হবে।

অন্যদিকে ২০১৬ সালে নির্মাণকাজ উদ্বোধন করে এ বছর ২৮ অক্টোবরে সরকার বঙ্গবন্ধু টানেল খুলে দিয়েছে যান চলাচলের জন্য। এটি দেশের একমাত্র টানেল। এই টানেল চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা ও দক্ষিণের আনোয়ারাকে সংযুক্ত করেছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত সাড়ে তিন কিলোমিটারে এই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল ঢাকা-চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশকে এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সম্পৃক্ত করবে ভবিষ্যতে। ফলে মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামসহ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্য এবং পর্যটন শিল্পের বিকাশ ঘটাবে। ইতিমধ্যে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠেছে। ফলে এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে। এই টানেলের ফলে মানুষের ভ্রমণ আরও আনন্দপূর্ণ ও সহজ হবে। মূলত এসব প্রকল্প গ্রহণের পর থেকে দেশের ভেতরে ও বাহিরে বাংলাদেশ প্রশংসিত হতে থাকে।

২০১৮ সালের আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে: “উন্নত দক্ষ ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের পূর্বশর্ত। যোগাযোগ খাতে আওয়ামী লীগ সরকারের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সাফল্যের চিহ্ন সকল মহলে স্বীকৃত ও প্রশংসিত। যোগাযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হিসাবে বিবেচিত এবং এটি আধুনিকীকরণ একটি অগ্রাধিকার কাজ। সিস্টেমগুলিকে আরামদায়ক ও নিরাপদ করার জন্য রাস্তা, রেল ও জলপথের সম্প্রসারণ এবং সংস্কার বাস্তবায়ন অব্যাহত রয়েছে।”

বর্তমান সরকার ঢাকা নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে। এ শহরে একদিন মেট্রো চলবে তা কেউ ভাবেনি। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বের কারণে এ অসম্ভব ও সম্ভব হয়েছে। উত্তরা দিয়াবাড়ি থেকে মতিঝিলে আসায় অন্তত ২ঘন্টা সময় লাগত। তা এখন ৪০ মিনিটে নেমে এসেছে। চাকুরীজীবী, শিক্ষার্থী, সাধারণ জনগণ এখন নির্বিঘ্নে সময় ধরে মেট্রোতে চলাচল করছেন।

১৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মোট ৬টি মেট্রো লাইন ২০৩০ সালের মধ্যে চালু হলে বাংলাদেশ পশ্চিমা দেশের সাথে সমান্তরালে এগিয়ে চলবে। ইতোমধ্যে হেমায়েতপুর থেকে কাঞ্চন ব্রিজ পর্যন্ত দ্বিতীয় মেট্রো লাইনের কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি গাজীপুর-ঢাকার এমআরটি’র কাজ শেষের দিকে। কিছু কিছু অংশ ইতোমধ্যেই যান চলাচলের জন্য খুলে দিয়েছে। এয়ারপোর্টের সাথে শহরের এক্সপ্রেসওয়ে চালু হওয়ায় ফার্মগেট থেকে মাত্র ১২ মিনিটে শহরবাসী এয়ারপোর্ট যেতে পারছে।

কুড়িল বিশ্বরোড থেকে পূর্বাচল পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ফলে কুড়িল-এয়ারপোর্ট, ফার্মগেট ও পূর্বাচল অঞ্চলের যোগাযোগ যেকোনো পশ্চিমা দেশের সাথে আজ তুলনীয়। অসংখ্য ফ্লাইওভার, এক্সপ্রেসওয়ে, ওভারপাস ও র‌্যাম্পের মধ্যে রাতের নিয়ন আলোয় গাড়ী ওঠা নামা এক নান্দনিক রূপ লাভ করেছে। হাতিরঝিল প্রকল্প মানুষের গুলশান-রামপুরার সাথে ঢাকা দক্ষিণের যাতায়াত সহজ করেছে। ঢাকা শহরের ভেতর এফডিসি থেকে গুলশান পর্যন্ত নৌপথ ঢাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রাণ দিয়েছে। এ শহরের বুক চিড়ে জলপথ মানুষের মধ্যে প্রাণ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

যাত্রাবাড়ি বিশ্বরোড হয়ে চার লেনের সড়ক পথ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের মানুষকে কাছাকাছি এনেছে। আমিনবাজার হয়ে ঢাকা সাভারের যাতায়াত যানজটহীন হয়েছে এবং ৬ লেনের রাস্তা ও অসংখ্য ইউ লুপ হওয়ায় যাতায়াত রোমাঞ্চকর হয়ে উঠেছে। এয়ারপোর্ট থেকে সাভার ইপিজেড পর্যন্ত আরেকটি এক্সপ্রেসওয়ের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।

 

 

রামপুরা-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে, জয়দেবপুর-সিলেট রোড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে উত্তর বঙ্গের সকল বাস, ট্রাক ঢাকাকে বাইপাস করে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার পর্যন্ত নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরের একাধিক এক্সপ্রেসওয়ে ও ফ্লাইওভার নির্মিত হয়েছে। শহরকে বাইপাস করে মানুষ এখন সহজে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে যাতায়াত করতে পারছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার ট্রেনলাইন কক্সবাজারে পর্যটন শিল্পকে বহুগুণে সমৃদ্ধ করে তুলেছে।

ঢাকা থেকে সরাসরি কক্সবাজারে ট্রেনে যাতায়াত ভ্রমণ পিপাসুদের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ২০০৯ সাল থেকে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২টি নতুন রেলসার্ভিস এবং ৪২টি রেলরুট চালু করেছে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-খুলনা, ঢাকা-যশোর, ঢাকা-টাঙ্গাইল, ঢাকা-ময়মনসিংহ, ঢাকা-রংপুরসহ দেশব্যাপী অসংখ্য মহাসড়ক ৪ লেনে উন্নত হয়েছে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারসহ মানুষ বিভিন্ন জরুরী প্রয়োজনে সহজে ও অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে। মহাসড়কের যানজট এখন শূন্যে নেমে এসেছে। ফলে ঈদ বা বিভিন্ন উৎসবে মানুষ সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঢাকা আসা-যাওয়া করতে পারছে।

পাশাপাশি গ্রামীণ রাস্তা ঘাটের অভাবনীয় উন্নতি ঘটেছে। চাঁদপুর মতলব উত্তরের একজন সরকারী কর্মকর্তার সাথে কথা হলো। তিনি বলেন “শৈশবে যেখানে জলরাশি দেখেছি, সেখানে মেঘনা ধনাগোদা বাঁধের ফলে গ্রামীণ রাস্তা-ঘাট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে গ্রামের সকল রাস্তা পিচঢালাই করা হয়েছে। নৌকায় করে এক সময় যেসব জমি-জমা দেখতে যেতাম সেসব জমির আলে এখন গাড়ী নিয়ে দেখতে যাই”। দেশের অধিকাংশ উপজেলায় আজ মতলব উত্তরের মত গ্রামীণ যোগাযোগ অবকাঠামো গড়ে উঠেছে।

২৭ ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১২তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। এতে দেখা যায় আওয়ামী লীগ সরকার দেশের মহাসড়ক ১২ হাজার ১৮ কিলোমিটার থেকে প্রায় প্রায় ৩২ হাজার ৬৭৮ কিলোমিটার, গ্রামীণ রাস্তাঘাট ৩১৩৩ কিলোমিটার থেকে ২৩৭৪৪৬ কিলোমিটার এবং রেল লাইন ২৩৫৬ কিলোমিটার থেকে ৩৪৮৬ কিলোমিটারে উন্নীত করেছেন।

এ এক অভাবনীয় সাফল্য। যেকোনো দেশের উন্নয়নের মূলে কাজ করে তার ভৌত যোগাযোগ অবকাঠামো। ৪১ এর উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশের মূল ভিত্তি কাঠামো আওয়ামী লীগ সরকার ইতোমধ্যে জাতিকে উপহার দিয়েছেন।

সড়ক, মহাসড়ক ও রেলের পাশাপাশি সরকার আকাশ পথের উপর গুরুত্ব দিয়েছে। বিমান বহরে নতুন ১২টি এয়ারক্রাফট যুক্ত হয়েছে। দেশের প্রত্যেকটি অভ্যন্তরীণ এয়ারপোর্ট পুনরায় নির্মাণ ও স্বয়ং সম্পূর্ণ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ও সিলেট এয়ারপোর্ট থেকে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট চালু করা হয়েছে। সৈয়দপুর এয়ারপোর্ট থেকে ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল বিমান বন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দিয়ে ঢাকাকে পূর্বমুখী আন্তর্জাতিক গেটওয়ে হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ০৭ অক্টোবর ২০২৩ তারিখ তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন। ফলে কার্গো ও যাত্রী সুবিধা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। বছরে ১ কোটি ২০ লক্ষ যাত্রী ও ৪০ লক্ষ কার্গো পরিচালনা করতে পারবে।

ইতোমধ্যে পৃথিবীর বড় বড় এয়ার লাইনস যথা ব্রিটিশ এয়ার ওয়েজ, জার্মান লুপথানসা, ডাস কেএলএম সহ অনেক এয়ারলাইন্স ঢাকার সাথে ফ্লাইট পরিচালনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা-টরেন্টো, ঢাকা-টোকিও, ঢাকা-লন্ডনের সাথে সরাসরি ফ্লাইট চালু করেছে। বিমানের বহরে নতুন উড়োজাহাজের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য এয়ারবাস ও বোয়িং এর সাথে আলোচনা চলছে। অচিরেই আকাশ পথে বলাকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তার স্থান সংহত করবে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারসমূহে সবসময় শাসনামলের অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা স্থান পায়। মূলত অর্জনসমূহ জনগণকে জানানো ও পরিকল্পনাসমূহে সাধারণ জনগণের ম্যানডেট গ্রহণের নিমিত্ত ইশতেহার প্রণীত হয়। ফলে পরিকল্পিত ও সুস্পষ্ট ঘোষণাসহ জনগণের ম্যানডেটের ভিত্তিতেই আওয়ামী লীগের শাসনামলে ভৌত অবকাঠামো নির্মিত হয়েছে। তাই আওয়ামী লীগ শুধু রাজনৈতিক অংশীদারত্ব নিশ্চিত করেছে তা নয় বরং দেশের উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ জনগণের অংশীদারত্বও নিশ্চিত করেছে।

নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৪ এ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন ভিশন ২০৪১ অর্জনে গত ১৫ বছরে বাস্তবায়িত সমন্বিত, নিরাপদ, মানসম্পন্ন ও উন্নয়নবান্ধব উন্নতর যোগাযোগ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা মহাসড়ক, জলপথ, রেল ও আকাশপথে নিশ্চিত করা হবে। নিরাপদ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা শহর থেকে গ্রামে বিস্তৃত করা হবে।

ইশতেহার অনুযায়ী ২০৪১ সালের মধ্যে ১২টি এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ ও দেশের সকল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার অঙ্গীকার করেছে। ফলে নিশ্চিত করে বলা যায় আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতা থাকলে ২০৪১ এর মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ আর স্বপ্ন নয় বাস্তব রূপ লাভ করবে।

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: আওয়ামী লীগকেন করতে হবেজয়ী
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ঢাবি গবেষণা সংসদের নবনির্বাচিত সভাপতি হুমায়রা, সম্পাদক মনোয়ার

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

পর্দা উঠছে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের: জানার আছে যা কিছু

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

সোহানের ঝড়ো ৭৬, ধূমকেতুকে হারাল শান্ত’র দুর্বার

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

৭২২ রানের ফাইনালে ইংলিশদের কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬

মার্কিন নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিলো ট্রাম্প প্রশাসন

ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT