ইসরায়েলি হামলায় গত সোমবার ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা পর্ষদের প্রধান আলী লারিজানি নিহত হওয়ার পর তাঁর শূন্যস্থান পূরণ করা সহজ হবে না বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
প্রবীণ এ রাজনীতিককে অনেক বিশ্লেষক ইরানের অন্যতম প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে গণ্য করতেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গন এবং নিজ দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে তিনি ছিলেন একজন দক্ষ মধ্যস্থতাকারী।
ইরানের আইন অনুযায়ী, দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান পরবর্তী জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা নিয়োগ দেবেন। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর গুঞ্জন চলছে যে, প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব সাঈদ জালিলি এ পদে স্থলাভিষিক্ত হতে পারেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত সর্বোচ্চ নেতার প্রতিনিধিদের মধ্য থেকেই কাউকে জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদে এ পদের জন্য বেছে নেওয়া হয়। লারিজানি নিহত হওয়ার পর জালিলিই এখন সবচেয়ে শক্তিশালী বিকল্প।








