চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি

    https://www.youtube.com/live/o6SJvPy15o4?si=NGcg3Is-DnwAnvmd

No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

কে ছিলেন মেজর জলিল

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৯:১৫ অপরাহ্ন ০৫, মার্চ ২০২৬
- সেমি লিড, বাংলাদেশ
A A

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে রয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল।

কিন্তু মেজর জলিল এখন ইতিহাস। এ প্রজন্মের অনেকেই জানেন না মেজর জলিল সম্মর্কে। চলুন, সংক্ষেপে জেনে নেওয়া এ বীর মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন
এম এ জলিল বরিশাল জেলার উজিরপুরে ১৯৪২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম মোহাম্মদ আব্দুল জলিল। তবে তিনি মেজর এম এ জলিল নামেই পরিচিত। তার পিতা জনাব আলী সিকদার ও মা রাবেয়া খাতুন। উজিরপুর-বারোপাইকা ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৫৯ সালে তিনি মেট্রিক পাশ করেন। ১৯৬১ সালে পাকিস্তানের মারি ইয়ং ক্যাডেট ইনস্টিটিউশন থেকে আইএ পাস করেন এবং এর পাশাপাশি গ্রহণ করেন সামরিক শিক্ষা৷ ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান একাডেমি থেকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি লাভ করেন। পরে মুলতানে কর্মরত থাকাকালে তিনি ইতিহাসে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

সেনাজীবন
১৯৬২ সালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে ট্রেনি অফিসার হিসেবে যোগদান করেন৷ সামরিক বাহিনীতে চাকুরিরত অবস্থায় তিনি বিএ পাশ করেন৷ ১৯৬৫ সালে তিনি কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১২নং ট্যাঙ্ক ক্যাভালরি রেজিমেন্ট অফিসার হিসেবে তৎকালীন পাক-ভারত যুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন৷ ১৯৭০ সালে তিনি মেজর পদে উন্নীত হন৷ তিনি ১৯৭১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ছুটি নিয়ে বরিশালে আসেন এবং মার্চে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধে তিনি নবম সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব লাভ করেন।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা
১৯৭১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি অসুস্থ মাকে দেখার জন্য এক মাসের ছুটিতে আসেন৷ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধে যোগদান করেন এবং বরিশাল অঞ্চলের ডিফেন্স চিফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন৷ বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে তাকে নবম সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত করে৷ ৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে খুলনা বেতার কেন্দ্র মুক্ত করতে এক ঝটিকা অপারেশনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন৷ ২৫ শে এপ্রিল পর্যন্ত বরিশাল মুক্ত অঞ্চল ছিল৷ ২৬ এপ্রিল পাক বাহিনী বরিশাল ও ২৭ এপ্রিল পটুয়াখালী দখল করে নেয়৷

এরপর অস্ত্র সংগ্রহের জন্য তিনিসহ বরিশালের অধিকাংশ সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা কর্মী মুক্তিযোদ্ধাগণ চলে যান ভারতে৷ প্রথমে ভারতের হাসনাবাদে পরে টাকিতে তিনি গড়ে তোলেন ৯নং সেক্টর হেড কোয়াটার। বৃহত্তর বরিশাল, পটুয়াখালি, খুলনা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ ও যশোরের কিছু অংশ নিয়ে ঘোষিত হল নবম সেক্টর৷ নবম সেক্টরকে পাঁচটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হল৷

Reneta

এগুলো ছিল- সাতক্ষীরা, খুলনা, সুন্দরবন, বরিশাল ও পটুয়াখালী। তার সেক্টরের অধীনে অক্লান্ত পরিশ্রম করে তিনি গড়ে তোলেন এগারটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র৷ প্রবাসী সরকার ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় মেজর জলিলের প্রচেষ্টায় গড়ে উঠল ৮০ হাজার সদস্য নিয়ে বিরাট মুক্তিবাহিনী৷ ৯নং সেক্টর হেড কোয়াটার টাকিতে বসেই তিনি বেশীর ভাগ গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করতেন।

১৯৭১ সালের ৭ জুলাই তার উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু স্কোয়াড নামে স্বাধীন সরকারের প্রথম নৌবাহিনী গঠিত হয়৷ তার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধাগণ সাতক্ষীরা, খুলনা ও বরিশালের বিভিন্ন স্থানে পাকিস্তান বাহিনীর সাথে সম্মুখ ও গেরিলা যুদ্ধে জয়লাভ করেন৷ ৩২ বছরের যুবক সেক্টর কমান্ডার মেজর এম এ জলিলের বীরত্বপূর্ণ সফলতা বিবিসি ও সংবাদপত্রে প্রশংসিত হয়৷ ৭ ডিসেম্বর তার নেতৃত্বে মুক্তিবাহিনী সাতক্ষীরা মুক্ত করে ৮ ডিসেম্বর বরিশাল ও পটুয়াখালী মুক্ত হয়৷ ১৭ ডিসেম্বর মিত্র বাহিনী নিয়ে বিজয় বেশে তিনি খুলনা শহরে প্রবেশ করেন৷ পাকবাহিনীর অধিনায়ক ব্রিগ্রেডিয়ার হায়াত খান ৮ হাজার সৈন্য নিয়ে খুলনা সার্কিট হাউসে আত্মসমর্পণ করেন।

তিনি এই অনুষ্ঠানে সামনে দাঁড়িয়ে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ দেখতে চেয়েছিলেন কিন্তু ভারতীয় মিত্র বাহিনী তাকে পিছনে ঠেলে দেয়। তিনি ৯নং সেক্টর এর সেক্টর কমান্ডার হওয়া তার ইচ্ছে ছিলো পাকবাহিনী তার হাতেই আত্মসমর্পন করুক। কিন্তু ভারতীয় মিত্র বাহিনী সেটা হতে দেয়নি। তিনি এই বিষয়টির প্রতিবাদ করায় তিনি হন স্বাধীন দেশের প্রথম রাজবন্দী। একটি জরাজীর্ণ কক্ষে তাকে বন্দি করে রাখে ভারতের মিত্রবাহিনী। ১৯৭১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বরিশালে তাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়৷ ২১ ডিসেম্বর তিনি হেমায়েতউদ্দিন মাঠে জনসভায় ভাষণ দেন।

রাজনৈতিক জীবন
যুদ্ধপরবর্তী ভারতীয় বাহিনীর লুটপাটের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার জন্য ১৯৭১ সালের ৩১ ডিসেম্বর তিনি যশোরে ভারতীয় বাহিনী ও মুজিববাহিনীর লোকের হাতে গ্রেপ্তার হন৷ তাকে পাকিস্তানিদের একটা টর্চার সেলে রাখা হয়। ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই মুক্তি লাভ করেন। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠনের সময়ে তিনি কাজ করেছিলেন৷ তিনি ছিলেন এ দলের যুগ্ম আহ্বায়ক৷ ১৯৭৩ সালে তিনি বরিশাল থেকে ৫টি আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরাজিত হন।

১৯৭৫ সালের ২৩ নভেম্বর কর্নেল তাহেরের সাথে গ্রেপ্তার হন, বিচারে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়। ১৯৮০ সালে ২৬ মার্চ মুক্তি লাভ করেন।এছাড়া তিনি ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ১৯৮৪ সালে তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন৷ পরবর্তীকালে তিনি জাসদ ত্যাগ করে জাতীয় মুক্তি আন্দোলন নামে একটি দল গঠন করেন৷ ১৯৮৪ সালের ২১ অক্টোবর তিনি আমীরে শরীয়ত মাওলানা মুহাম্মদুল্লাহ হাফেজ্জী (রহ) এর নেতৃত্বে গঠিত সম্মিলিত সংগ্রাম পরিষদে যোগ দেন। ২৬ অক্টোবর পরিষদের দেশব্যাপী দোয়া দিবস ও বায়তুল মুকাররম মসজিদ চত্বরে সমাবেশে তিনি মাওলানা হাফেজ্জীর হাতে বাই’আত গ্রহণ করেন৷

প্রকাশিত গ্রন্থ
সীমাহীন সময় (১৯৭৬), দৃষ্টিভঙ্গি ও জীবনদর্শন, সূর্যোদয় (১৯৮২), অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা (১৯৮৯)
কৈফিয়ত ও কিছু কথা (১৯৮৯), বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট মুভমেন্ট ফর ইউনিটি: আ হিস্টোরিক্যাল নেসেসিটি, এ সার্চ ফর আইডেন্টিটি ইত্যাদি।

পারিবারিক জীবন
১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তিনি টাঙ্গাইলের সায়মা আখতারকে বিয়ে করেন। তাদের দুই কন্যা সারাহ ও ফারাহ। সারাহ ব্যারিস্টার, আইন পেশায় নিয়োজিত।

মৃত্যু
১৯৮৯ সালের ১৯ নভেম্বর রাত ১০টা ৩০ মিনিটে তিনি পাকিস্তানের ইসলামাবাদে মৃত্যুবরণ করেন। পরে ২২ নভেম্বর তার মৃতদেহ ঢাকায় আনা হয় এবং সামরিক মর্যাদায় তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’-এ ভূষিত হয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর এম এ জলিল।

মেজর জলিল ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বে সুন্দরবন ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অকুতোভয় নেতৃত্ব ও রণকৌশল আজও বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: ৯ নং সেক্টরএম এ জলিলবীর মুক্তিযোদ্ধাবীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধমিত্রবাহিনীমেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিলস্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬
শেয়ারTweetPin

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT