মাঙ্কিপক্স শনাক্তের জন্য প্রথম ‘দ্রুত পরীক্ষা’ অনুমোদন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এতে এখন থেকে ফলাফল বেশ দ্রুত জানা যাবে।
সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, মারাত্মক ভাইরাসটির সারাবিশ্বে বিস্তার ঠেকাতে দ্রুত সনাক্তকরণের পরীক্ষা উপকারী হবে। নতুন এই পিসিআর পরীক্ষায় ত্বকের ক্ষত স্থান থেকে সোয়াব নিয়ে মাঙ্কিপক্স ডিএনএ শনাক্ত করা যাবে। প্রথমে নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠাতে হবে, এরপর ফলাফলে জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
মারাত্মক পরিসরে এই ভাইরাস বিস্তারের কারণ, রোগ শনাক্তের পরীক্ষার কিট বা সরঞ্জামের স্বল্পতা এবং মাঙ্কিপক্ষে আক্রান্ত কিনা তা নিশ্চিত করতে বিলম্ব হওয়া। বর্তমানে আফ্রিকার জন্য ভাইরাসটি একটি মহামারি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, এই বছর আফ্রিকায় ৪০ শতাংশ রোগীর মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক ইউকিকো নাকাতানি এই পরীক্ষাকে উপযোগী উল্লেখ করে বলেন, গুণমান নিশ্চিত করে এই চিকিৎসার সরঞ্জাম সরবরাহ করে ভাইরাসের বিস্তার রোধ করা সম্ভব। বিশেষ করে সুবিধাবঞ্চিত দেশগুলোকে সহায়তা করাই আমাদের লক্ষ্য।
আফ্রিকা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) তথ্য মতে, গত মাসে রুয়ান্ডায় প্রথম মাঙ্কিপক্স ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হয়েছে। নাইজেরিয়ায় টিকাদান অভিযান আগামী মঙ্গলবার চালু করা হবে বলে আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে।








