পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারা দেশেই আনন্দ, খুশি ও উৎসবের আমেজ থাকলেও আবহাওয়ার কারণে কিছুটা বিড়ম্বনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে, কালবৈশাখী ঝড়ের আশঙ্কা রয়েছে। ঈদের দিন এবং ঈদের আগে ও পরের দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির সৃষ্টি হতে পারে।
বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এর দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিন আবহাওয়া সবচেয়ে বেশি বৈরী থাকতে পারে, যার ফলে ঈদের জামাতের সময় বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে উন্মুক্ত স্থানে নামাজে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। ঈদের আগের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী তিন দিন দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ করে ঈদের দিন সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল থেকে একটি শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় প্রবেশ করতে পারে, যা ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ অন্যান্য অঞ্চলে বিস্তার লাভ করতে পারে। ঈদের জামাতের সময় বিশেষভাবে ময়মনসিংহ, সিলেট, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় ঝড়-বৃষ্টির উচ্চ সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে ঈদগাহ বা খোলা ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করতে বিঘ্ন ঘটতে পারে।
এদিকে, দুপুরের পর রংপুর ও রাজশাহী থেকে শুরু হয়ে ঝড়টি দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়তে পারে, এবং বিকেলের দিকে সারা দেশে আরেক দফা ঝড়-বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঈদের আগের দিন শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকার সম্ভাবনা থাকলেও দুপুরের পর থেকে কালবৈশাখী ঝড়-বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে।
তবে ঈদের পরদিন পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। ভোরের দিকে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির প্রবণতা থাকতে পারে, তবে দিনের বেলা আবহাওয়া অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।








