প্রতি বছর পবিত্র রমজান মাস ভিন্ন ভিন্ন তারিখে শুরু হয়। সাধারণত রমজান, আগের বছরের তুলনায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে শুরু হয়। এর মূল কারণ হলো ইসলামিক হিজরি সন চন্দ্র ক্যালেন্ডারের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ইসলামিক ক্যালেন্ডার বা হিজরি ক্যালেন্ডার সম্পূর্ণভাবে চাঁদের গতিপথ অনুসরণ করে। এই ক্যালেন্ডারে প্রতিটি মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। ফলে একটি চন্দ্র বছরে মোট প্রায় ৩৫৪ দিনের, যা সৌর বছরের (প্রায় ৩৬৫ দিন) তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট।
বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ উত্তর গোলার্ধে বসবাস করে। এ অঞ্চলে এ বছর রোজার সময় কিছুটা কম হবে এবং ২০৩১ সাল পর্যন্ত ধীরে ধীরে রোজার সময় কমতে থাকবে। কারণ ওই সময়ে রমজান, শীতকালীন বছরের সবচেয়ে ছোট দিনের সময়ের সঙ্গে মিলিত হবে।
অন্যদিকে নিরক্ষরেখার দক্ষিণে বসবাসকারী মুসলমানদের ক্ষেত্রে রোজার সময় গত বছরের তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ হবে। কারণ সেখানে ঋতুচক্র উত্তর গোলার্ধের বিপরীত।
চন্দ্র বছর সৌর বছরের তুলনায় প্রায় ১১ দিন ছোট হওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে রমজান সব ঋতুতে ঘুরে আসে। এ ধারাবাহিকতায় ২০৩০ সালে দু’বার রমজান পালিত হবে বলে জ্যোতির্বিদরা জানিয়েছেন—প্রথমটি শুরু হবে ৫ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয়টি ২৬ ডিসেম্বর।
ধর্মীয় বিশেষজ্ঞরা জানান, চাঁদ দেখা সাপেক্ষে রমজানের শুরু নির্ধারিত হলেও ক্যালেন্ডারগত এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই প্রতি বছর রমজান ভিন্ন তারিখে পালিত হয়।








