সংসদে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের বিভিন্ন সাহায্য এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিংহ জানিয়েছেন, ২০১৪ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত ভারত বাংলাদেশকে আর্থিক ও উন্নয়নমূলক সহায়তা (লাইন অফ ক্রেডিট) প্রদান করছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়য়ের ওয়েবসাইটে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
২০১৪ সাল থেকে ভারতের প্রদত্ত বিভিন্ন বিদেশি, বিশেষ করে আর্থিক সহায়তার বিস্তারিত কী, এই প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তি বর্ধন সিংহ বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক প্রতিবেশীভিত্তিক ও জনগণমুখী। এ প্রেক্ষাপটে ভারত বাংলাদেশে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে ঋণ এবং অনুদানসহ ‘উচ্চ প্রভাবসম্পন্ন কমিউনিটি উন্নয়ন প্রকল্প’, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ পুনর্বাসন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগে সহায়তা প্রদান করেছে।
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়য়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, ২০১৪ সাল থেকে ভারতের দুইটি বড়ো লাইন অফ ক্রেডিট (এলওসি) বাংলাদেশের জন্য ঋণ অনুমোদিত হয়েছে, যার মোট পরিমাণ ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এলওসিসহ চলমান প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ ব্যতীত ২০১৪ সাল থেকে প্রতিবছর বাংলাদেশের জন্য প্রদত্ত আর্থিক সহায়তার বিস্তারিত সংযুক্তি আইপিডিএফ ফাইলে দেওয়া আছে।
ভারতের অব্যাহত সমর্থনের পরও সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেছে; যদি হয়, এর কারণ কী এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ হিসেবে গভীর ঐতিহাসিক, ভৌগোলিক, সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও সামাজিক সম্পর্ক ভাগাভাগি করে। ভারত সর্বদা গণতান্ত্রিক, স্থিতিশীল, শান্তিপূর্ণ, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছে এবং দ্বিপক্ষীয় কাঠামোগত সংস্থার মাধ্যমে উচ্চস্তরের আলোচনাসহ বৈঠকে অংশ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সবশেষে ভারতীয় সমুদ্রবন্দরগুলোতে বাংলাদেশের রফতানি নিয়ে সম্প্রতি বাতিল হওয়া প্রাধান্য পুনর্বিবেচনা করা হচ্ছে কি, এই প্রশ্নের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় বন্দরে বাংলাদেশের রফতানিকে কোনো প্রাধান্য আগে প্রদান করা হয়নি। নীতি পরিবর্তন করার বিষয়টি সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বিবেচনার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।








