ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে সিরিজের স্কোয়াডে আছেন বিশ্বকাপে খেলা মাত্র ছয়জন ক্রিকেটার। তারুণ্য নির্ভর দলকে নেতৃত্ব দেয়া নিয়ে উচ্ছ্বসিত ইংলিশ অধিনায়ক জস বাটলার।
শিরোপা ধরে রাখার মিশনে গত মাসে ক্রিকেট বিশ্বকাপে সপ্তম স্থান অর্জন করে ইংল্যান্ড। পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ আট দলের মধ্যে থাকায় ২০২৫ সালে হতে যাওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার সুযোগ পায়। একটি খারাপ টুর্নামেন্টকে পেছনে ফেলে সাদা বলের ক্রিকেটে দলটির আগের ভালো অবস্থানে ফিরে আসাটাই চাইছেন থ্রি লায়নদের অধিনায়ক।
রোববার অ্যান্টিগায় তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ শুরুর আগে বাটলার বলেন, ‘আমাদের একটা খারাপ টুর্নামেন্ট ছিল। দল অনেক দিন ধরে দুর্দান্ত অবস্থানে রয়েছে। আপনি ছেলেদের প্রতিভার গভীরতা দেখতে পাচ্ছেন।’
‘সাদা বলের ক্রিকেটের সেই দারুণ সময়টাকে ফেরাতে আপনি সাহায্য করতে চান। এটাতে আমি দায়িত্বশীলতা এবং অনুপ্রেরণা অনুভব করি। দীর্ঘদিন ধরে ইংল্যান্ড সাদা বলের ক্রিকেটে যে অবস্থায় ছিল, সেখানে ফিরে আসুন। এই দলে সত্যিই কিছু দুর্দান্ত প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে।’
‘তরুণ ছেলেরা সুযোগ পেতে এবং পারফর্ম করতে আগ্রহী। দলে এমন কিছু ছেলে আছে, যারা ওডিআই ক্রিকেটের সঙ্গে খুব বেশি পরিচিত হয়নি। কিন্তু টেস্ট ক্রিকেটে তাদের অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাই আন্তর্জাতিক খেলায় তারা নতুন মুখ নয়। স্কোয়াডে চমৎকার একটা সংমিশ্রণ আছে।’
ইংলিশ কাপ্তানের মতে, ক্যারিয়ারের এই মুহূর্তে তার চারপাশে একটি তরুণ দল রয়েছে। মাঠে হতাশা মোকাকিলায় আরও ভালো দৃষ্টিভঙ্গি এবং পরিপক্কতা তার মাঝে রয়েছে বলে দাবি করেন। একইসঙ্গে জানান, বিশ্বকাপে নিজের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স আশানুরূপ না হওয়াটা তার জন্য বড় এক শিক্ষা। ক্যারিয়ারের বাকি অংশে বিষয়টিকে তিনি ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করতে চান।
‘আমি জীবন এবং কর্মজীবনের এমন পর্যায়ে আছি। যেখানে ভালো দৃষ্টিভঙ্গি পেয়েছি। আমি বাড়ি ফিরেছি। জীবনে এমন দুই সন্তান পেয়েছি, যারা সত্যিই বিশ্বকাপ নিয়ে চিন্তা করে না। অবশ্যই একজন বাবা হিসেবে এটা আপনাকে একটি সুন্দর দৃষ্টিভঙ্গি দেয়। হতাশা থাকলেও মানুষ হিসেবে আমি বেশ গর্বিত।’
‘আপনি জানেন, জীবন এগিয়ে চলেছে। পৃথিবী খুব দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সবসময়ই কিছু না কিছুর অপেক্ষায় থাকে। আপনি যতটা মনে করেন ততটা খারাপ ঘটে না এবং আপনি যতটা মনে করেন ততটা ভালো হয় না।’








