বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদারে একাধিক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এ বছর পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে মুখোশ পরে বা ব্যাগ বহন করে প্রবেশ করা যাবে না। তবে চারুকলা অনুষদের তৈরি মুখোশ হাতে প্রদর্শনের সুযোগ থাকবে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম। এ বছর নববর্ষের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।
বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, আনন্দ শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমি ঘুরে আবার চারুকলায় ফিরে আসবে।
নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভুভুজেলা বাজানো ও বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া সব অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে। এরপর ক্যাম্পাসে প্রবেশ সীমিত করা হবে।
১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে। পহেলা বৈশাখের দিন ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের যান চলাচল থাকবে না এবং মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।
বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারীরা যাতায়াতের জন্য কেবল নীলক্ষেত ও পলাশী গেট ব্যবহার করতে পারবেন। টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পেছনের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গেট বন্ধ থাকবে।
দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য চারুকলা (ছবির হাট), বাংলা একাডেমি ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন গেট নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বের হওয়ার পথ হিসেবে থাকবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, রমনা কালী মন্দির ও বাংলা একাডেমি গেট।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান এবং ডাকসু, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি ও জাতীয় জাদুঘর-এর প্রতিনিধিরা।








