এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সমন্বয়কদের নিরাপত্তা দিতে জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো পুলিশ সদর দপ্তরের চিঠি প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, আমরা কোনো রাষ্ট্রীয় সফরে আসিনি, তাই রাষ্ট্রের কাছে অতিরিক্ত নিরাপত্তাও চাইনি।
আজ মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে হাসনাত আবদুল্লাহ এ কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, আমরা কোনো রাষ্ট্রীয় সফরে আসিনি। আমরা রাষ্ট্রের সাধারণ নাগরিক হিসেবে ছাত্র-জনতার কাছে এসেছি। একজন সাধারণ নাগরিক যেমন নিরাপত্তা পায়, আমরাও তেমন নিরাপত্তা চাই, এর বেশি নয়। জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠানো পুলিশ সদর দপ্তরের নোটিশের বিষয়ে আমরা অবগত নই। সরকারের কাছেও আমরা এমন কিছু চাইনি।
তিনি আরও লিখেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আপামর ছাত্র সমাজ ও জনগণের প্ল্যাটফর্ম। ছাত্র-জনতাই আমাদের ভরসা ও নিরাপত্তা। সারা দেশের ছাত্রসমাজকে ঐক্যবদ্ধ করতে আমরা যে সফর শুরু করেছি, তা ছাত্র-জনতার সহযোগিতা ও অংশগ্রহণেই সফল হবে। এজন্য আমাদের কোনো রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন নেই। ছাত্র-জনতাই আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।
ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ছাত্র-জনতার প্রতি আমাদের আহ্বান, সব বিভ্রান্তি ও মনোমালিন্য দূরে সরিয়ে রেখে দেশ পুনর্গঠনে সংহতি ও ঐক্য বজায় রাখুন।
এরআগে গত রোববার বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের সফর করছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা। এরইমধ্যে চট্টগ্রাম, বরিশালসহ বিভিন্ন বিভাগ ও জেলায় সফর করতে শুরু করেছেন কেন্দ্রীয় সমন্বয়কেরা। সফরকালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেয় পুলিশ সদর দপ্তর।
চিঠিতে বলা হয়, ৮ সেপ্টেম্বর থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়করা বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে সফর করবেন বলে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
নির্দেশে আরও বলা হয়, এ অবস্থায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কদের সফর উপলক্ষ্যে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সমন্বয়কদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
চিঠিটি র্যাব মহাপরিচালক, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) অতিরিক্ত আইজিপি, মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলার পুলিশ সুপার, অফিসার ইনচার্জদের কাছে পাঠানো হয়।







