এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
নির্বাচনকালীন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালের দাবিতে করা একাধিক আপিলের ওপর আজ বৃহস্পতিবার রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ। পূর্বনির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী বিষয়টি আজকের কার্যতালিকার ১ ও ২ নম্বর ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
আজ ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি ড সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত সদস্যের বিচারক বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করবেন। গত ১১ নভেম্বর দশম দিনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ ২০ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ করেন।
বিএনপি মহাসচিবের করা আপিলের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক করা আপিলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, আর পাঁচ নাগরিকের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন সিনিয়র আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো আসাদুজ্জামান।
২০০৪ সালে তিন আইনজীবী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক ও সংবিধানবহির্ভূত দাবি করে হাইকোর্টে রিট করেন। ওই মামলায় ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্ট ত্রয়োদশ সংশোধনীকে বৈধ ঘোষণা করে। পরে রিটকারী পক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন। ২০১১ সালের ১০ মে সর্বোচ্চ আদালত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে রায় দেন।
রায়ে বলা হয়, সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় তা বাতিলযোগ্য। তবে প্রয়োজনের নিরিখে দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই ব্যবস্থায় আয়োজন করা যেতে পারে বলে পর্যবেক্ষণ দেন বিচারপতিরা। সাত দিন পর অবসরে যান প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক।
২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ রায় থেকে দশম ও একাদশ নির্বাচনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন আয়োজনের পর্যবেক্ষণ বাদ দেওয়া হয়। এরপর এই সিদ্ধান্তকে ভিত্তি করে দলীয় সরকারের অধীনে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরের ৫ আগস্ট সামরিক অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর মামলাটি পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়।








