ক্রিকেটে আম্পায়ার্স কল একটি পরিচিত ধারণা। ক্রিকেট ম্যাচে এলবিডব্লিউ’র ক্ষেত্রে দেখা মেলে নিয়মটির। ব্যাটার বা বোলিং দল রিভিউ নিলে এক পর্যায়ে বলের ইম্প্যাক্ট পজিশন ও উইকেট হিটিং পয়েন্ট চেক করা হয়। সেখানে বল পঞ্চাশ শতাংশের কম অংশ লাইনে থাকলে আম্পায়ার্স কলে পরিণত হয়। এবার ফুটবলেও সেই নিয়ম চালু করতে চাচ্ছে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। ক্লাব ফুটবলের বড় প্রতিযোগিতাটিতে ‘রেফারি কল’ চালু করতে চাচ্ছে সংস্থাটি।
ফুটবলে ভিএআর সিস্টেম চালু হয়েছে কয়েক বছর হল। তাতে ম্যাচের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মূহুর্তের সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনা করার সুযোগ রয়েছে। গত মৌসুমে অবশ্য প্রিমিয়ার লিগে ভিএআর সিস্টেম বেশকিছু বিতর্কের সৃষ্টি করেছিল। তা এড়াতে এবং ভিএআরে সময়ক্ষেপণ কমাতে ‘রেফারি কল’ চালু করতে চাচ্ছে সংস্থাটি।
ভিএআর কোনো সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ স্তর পূরণ করার শর্তারোপ করে। যে কারণে কিছু সিদ্ধান্তে অভিযোগ থেকে যায়। অভিযোগ এড়াতে এমন পরিস্থিতে রেফারি কল বিবেচ্য হবে। একইসঙ্গে সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি প্রবর্তন করে সময়ক্ষেপণ কমানোর পরিকল্পনাও করছে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি প্রিমিয়ার লিগের এজিএমে ভিএআর বাতিলের প্রস্তাব তোলে উলভস। অবশ্য প্রস্তাবের বিপরীতে ভোট দেয় প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা বাকি ১৯টি ক্লাব। এমনকি সমর্থকদের ভোটও নেয়া হয়। যেখানে প্রতি পাঁচজন সমর্থকের চারজনই ভিএআরের পক্ষে ভোট দেন। এরপর ভিএআর প্রযুক্তি আরও স্পষ্ট করতে ছয় দফা পরিকল্পনা নিয়ে ভাবার কথা জানায় প্রিমিয়ার লিগ। যেগুলোর সাথে একমত হয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তা, ক্লাব মালিক ও অধিনায়করা।
সেই ছয়দফার একটি রেফারি কল চালু করা। অন্যটি সেমি-অটোমেটেড অফসাইড প্রযুক্তি প্রবর্তন। বাকি চারটি হল- ভিএআর সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা সমর্থকদের নিকট বড় স্ক্রিনে এবং মেসেজের মাধ্যমে তুলে ধরা। ভিএআর প্রশিক্ষণ উন্নত করা। স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সমর্থক, খেলোয়াড়, কোচ এবং ক্লাব কর্মকর্তাদের ভিএআর সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা দেয়া।








