মার্কো রুবিও বলেন, ইসরায়েল ইরানে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে—ইসরায়েল ইরানকে আঘাত করলে ইরান নিশ্চিতভাবেই মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও স্বার্থের ওপর পাল্টা হামলা চালাত। তাই সম্ভাব্য বড় ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র আগাম ‘প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক’ চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্যা জেরুজালেম পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় রুবিও বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপের বিষয়ে ওয়াশিংটন আগে থেকেই অবগত ছিল। তার দাবি, ওই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান আমেরিকান বাহিনীর ওপর আঘাত হানতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই যুক্তরাষ্ট্র সপ্তাহান্তে তেহরানের বিরুদ্ধে হামলা চালায়।
রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, আমরা জানতাম যে ইসরায়েলি হামলা হতে যাচ্ছে। আমরা এটাও জানতাম যে তারা আমেরিকান বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করতে পারে। যদি আমরা আগে পদক্ষেপ না নিতাম, তাহলে আমাদের আরও বেশি হতাহতের মুখোমুখি হতে হতো।
মার্কিন সামরিক বাহিনী নিশ্চিত করেছে, সংঘাতের এই পর্যায়ে ছয়জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্যবস্তু হয়। কিছু স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে ইরানও ব্যাপক পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং একাধিক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার নিহত হওয়ার ঘটনার পর তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করে। বিশেষ করে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতিকেই তারা অগ্রাধিকার দিয়ে টার্গেট করছে।
রুবিও দাবি করেন, এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ক্রমবর্ধমান ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস করা। যুক্তরাষ্ট্রের আশঙ্কা ছিল, এই সামরিক শক্তি ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।







