বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার হাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাত করেছেন। তারা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইতিবাচক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অর্জনগুলো নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি কীভাবে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরেও জোরদার করা যায় সেই উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন।
বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস বলেন: আমাদের মাঝে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, রোহিঙ্গা শরণার্থী সহায়তা ও কোভিড-১৯ সহ বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে, রাষ্ট্রদূত হাস বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক অগ্রগতি, জলবায়ু পরিবর্তনে বাংলাদেশের নেতৃত্ব, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়ার ক্ষেত্রে উদারতা এবং বিশ্ব শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অসাধারণ অবদানের প্রশংসা করেন।
রাষ্ট্রদূত হাস বলেন: আমাদের আলোচনাকালে আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বলেছি যে, আমি মনে করি আমাদের সবচেয়ে বেশি যৌথ গৌরবের অর্জনগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কোভিড-১৯ সঙ্কট একত্রিতভাবে মোকাবেলা করা।
তিনি আরও বলেন: আমি বাংলাদেশের ৭০ শতাংশেরও বেশি জনসংখ্যাকে টিকা দেয়ার প্রচেষ্টার প্রশংসা করি।
উল্লেখ্য যে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কোভিড-১৯ মোকাবেলায় প্রায় ৮ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা অনুদান দেয়ার পাশাপাশি কোভিড-১৯ সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন ও মানবিক সহায়তা হিসেবে ১৪০ মিলিয়ন ডলার বা ১,৪০০ কোটি টাকারও বেশি অনুদান দিয়েছে এবং সহায়তাগুলো দেশব্যাপী পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সহযোগিতা করেছে।
বৈঠকে রাষ্ট্রদূত হাস বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা এবং তাদেরকে আশ্রয়দানকারী স্থানীয় বাংলাদেশী জনগোষ্ঠীকে সহায়তা দেওয়া অব্যাহত রাখার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোর ব্যাপারেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।








