এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বাধা সৃষ্টি, অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া, কিংবা শিল্পীদের নিরুৎসাহিত করার প্রবণতায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।
শনিবার (১১ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন এ বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উৎসব, নাট্য প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান কিংবা মুক্ত সাংস্কৃতিক আয়োজন এসব জায়গায় যে অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ চলছে, তা শুধু শিল্পীদের প্রতি অবমাননা নয়, এটি সমাজের গণতান্ত্রিক চেতনা ও মানবিক সংস্কৃতির ওপর সরাসরি আঘাত। সংস্কৃতি মানে মানুষের মুক্তচিন্তা, সহনশীলতা ও মানবতার চর্চা। সংস্কৃতির ক্ষেত্রকে সংকুচিত করার অর্থ, মানুষকে চিন্তাহীন ও অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়া।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে শিল্প-সংস্কৃতির চর্চা অবাধ ও নিরাপদ থাকা উচিত মন্তব্য করে উদীচী নেতৃবৃন্দ বলেন, বেশ কিছুদিন ধরেই মৌলিক সাংস্কৃতিক অধিকার বারবার হুমকির মুখে পড়ছে। শিল্পীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সহায়তা করা সরকারের দায়িত্ব। কোনো গোষ্ঠী, দল বা ব্যক্তির চাপের মুখে অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়া সভ্য সমাজের লক্ষণ নয়।
এই প্রবণতা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাংবিধানিক অধিকারকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। ভয় ও দমননীতির মাধ্যমে সংস্কৃতির প্রবাহ রুদ্ধ করা যাবে না বলে সাফ জানান উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
শিল্প ও সংস্কৃতির স্বাধীনতা রক্ষার জন্য দেশের সব প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক সংগঠন, শিল্পী, চিন্তাশীল নাগরিক ও তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছে উদীচী।








