চাঁদার দাবিতে ময়মনসিংহে একজন নারী যাত্রাশিল্পীকে প্রকাশ্যে বেধড়ক মারধর এবং হেনস্থার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।
এক বিবৃতিতে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে এ নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে এই ঘৃণ্য ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ওই শিল্পীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানান।
বিবৃতিতে উদীচীর নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভুক্তভোগী শিল্পীর সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি ময়মনসিংহের চর কালিবাড়ি এলাকায় নিজের জমিতে বাড়ি তোলার কাজ শুরু করেন। এরই মধ্যে স্থানীয় কিছু লোক তার কাছে চাঁদা দাবি করেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে প্রথমে তার ছেলেকে অপহরণ করে নিয়ে মারধর করা হয়।
তারা বলেন, এ ঘটনায় মামলা করার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করলে তারা ওই শিল্পীর উপর ক্ষুব্ধ হয়। গত ১২ নভেম্বর বুধবার তদন্ত শেষ করে পুলিশ এলাকা ছাড়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্রকাশ্যে রাস্তায় ফেলে ওই নারী যাত্রাশিল্পীকে মারধর করা হয়। তার চুল কেটে দেয়াসহ নানাভাবে হেনস্থা করা হয়। ঘটনার পরদিন পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করলেও বাকি আসামিরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছে।
এই ঘটনা সম্প্রতি দেশে ধারাবাহিকভাবে ঘটে যাওয়া চাঁদাবাজি ও নারী নির্যাতন এবং এসব ঘটনার কোন বিচার না হওয়ারই প্রভাব। সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি অন্তর্বর্তী সরকার।
ময়মনসিংহে নারী যাত্রাশিল্পীকে মারধর ও হেনস্থার সাথে জড়িত সকল অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার কার দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানান উদীচীর নেতৃবৃন্দ।
একইসাথে ওই শিল্পী ও তার পরিবারের সকল সদস্যের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিও জানিয়েছেন উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।








