বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণ কিছুটা অস্থির হয়ে উঠেছে বলে নতুন এক জরিপে উঠে এসেছে। বিপুল সংখ্যক আমেরিকান—এমনকি রিপাবলিকানদের একটি অংশসহ অনেকেই এমনটি মনে করছে।
২৫ ফেব্রুয়ারি রয়টার্স-এ ছয় দিনব্যাপী পরিচালিত জরিপটি আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়। জরিপটি এমন এক সময়ে করা হয়েছে, যখন ট্রাম্প তার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
জরিপে ৬১ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ৭৯ বছর বয়সী ট্রাম্প বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্থির হয়ে উঠেছেন বলে তারা মনে করেন। দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে—৮৯% ডেমোক্র্যাট, ৩০% রিপাবলিকান এবং ৬৪% স্বতন্ত্র ভোটার তাকে এভাবে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া ফেব্রুয়ারির জরিপে মাত্র ৪৫% উত্তরদাতা ট্রাম্পকে “মানসিকভাবে তীক্ষ্ণ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে একই সংস্থার জরিপে ছিল ৫৪%। তবে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ডেভিস ইঙ্গেল জরিপের ফলাফলকে “জাল ও মরিয়া আখ্যানের” উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেন, ট্রাম্পের “তীক্ষ্ণতা, অতুলনীয় শক্তি ও ঐতিহাসিক অ্যাক্সেসযোগ্যতা” তাকে তার পূর্বসূরি জো বাইডেন থেকে আলাদা করেছে।
উল্লেখ্য, মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে বাইডেন ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাড়ান। নতুন জরিপ অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ট্রাম্পের সামগ্রিক জনপ্রিয়তায় বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি। প্রায় ৪০% উত্তরদাতা তার প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্মদক্ষতাকে সমর্থন করেছেন, যা মাসের শুরুর তুলনায় ২ শতাংশ পয়েন্ট বেশি।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু করেছিলেন ৪৭% অনুমোদন রেটিং নিয়ে। তবে গত এপ্রিল থেকে তার অনুমোদন হার বর্তমান স্তরের দুই শতাংশ পয়েন্টের মধ্যেই ওঠানামা করছে।








