মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ১০ দিনের সময় দিয়েছেন চুক্তি করার জন্য, অন্যথায় খারাপ পরিণতির হুমকি দিয়েছেন তিনি। গতকাল, ১৯ ফেব্রুয়ারি, গাজার বোর্ড অব পিস সম্মেলনে ট্রাম্প এই সময়সীমা বেঁধে দেন এবং একে ‘সর্বশেষ সুযোগ’ হিসেবে তুলে ধরেন।
কুর্দিস্তান ২৪ জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই সময়সীমার মধ্যে চুক্তি না হলে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠবে, এমনই শঙ্কা প্রকাশ করেছে ইরান। এর জবাবে ইরান এক পাল্টা হুমকি দিয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী দূত সম্প্রতি একটি চিঠিতে জানিয়েছেন, যদি ইরানে হামলা চালানো হয়, তবে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সব সামরিক ঘাঁটি এবং অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা করা হবে। ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা যুদ্ধ চায় না, তবে তাদের ওপর কোনো আক্রমণ হলে এর জবাব দেওয়া হবে এবং এর পূর্ণ দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।
এদিকে, মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ইরানে সীমিত আকারে হামলা চালাতে পারে, যার লক্ষ্য হবে সরকারি ভবন ও নিরাপত্তা বাহিনীর অবকাঠামো। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানকে পরমাণু চুক্তি করতে চাপ দেওয়া হবে। তবে যদি ইরান তাদের শর্ত মেনে চুক্তি না করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক আক্রমণ চালাবে, এবং এর লক্ষ্য হবে ইরানের শীর্ষ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সরকারের পতন ঘটানো।
উল্লেখযোগ্য যে, গত কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরমাণু চুক্তি নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে রয়েছে। ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি থেকে একতরফাভাবে বেরিয়ে আসার পর, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে চাপে রাখার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে, যার মধ্যে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সামরিক হুমকি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে, ইরান বারবার চুক্তি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে, তবে তাতে তার শর্ত পূরণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।








