যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, মার্কিন বাহিনী ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপের সব সামরিক স্থাপনা সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। দ্বীপটি ইরানের তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিচালনা করে, যা তেহরানের অর্থনীতির লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত।
আজ (১৪ মার্চ) মঙ্গলবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ইচ্ছাকৃতভাবে অক্ষত রাখা হয়েছে শালীনতার কারণে, তবে হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে তাও আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প।
তবে এই ঘটনায় ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, তাদের তেল অবকাঠামোতে আরও হামলা হলে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত তেল কোম্পানি ও স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করবে।
এদিকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতার, বাহরাইন ও সৌদি আরবে সতর্কতা জারি করা হয়েছে; কাতারে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বাহরাইনে সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং সৌদি আরব কিছু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত মেরিন ইউনিট ও যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। এই ঘটনাগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত হতে পারে।








