ট্রাম্প প্রশাসন উদ্বেগজনক চিহ্নিত ১৯টি দেশের নাগরিকদের ইস্যু করা সমস্ত গ্রিন কার্ডের পূর্ণাঙ্গ ও কঠোর যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস-এর পরিচালক জোসেফ এডলো এই নির্দেশনার ঘোষণা দেন এবং জানান যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুরোধেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
অভিবাসন নীতির এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনটি ওয়াশিংটন ডিসিতে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া একটি গোলাগুলির ঘটনার পর এলো, যেখানে দুজন ন্যাশনাল গার্ড সদস্য আহত হন। ওই ঘটনার সন্দেহভাজন ব্যক্তি একজন আফগান নাগরিক, যিনি পূর্ববর্তী প্রশাসনের সময় একটি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। এই হামলার পর, জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তারা আরও কঠোর যাচাই-বাছাই এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছেন।
যে ১৯টি দেশের নাগরিকদের গ্রিন কার্ড পুনর্নিরীক্ষণ করা হবে সেগুলো হলো: আফগানিস্তান, মিয়ানমার, বুরুন্ডি, চাদ, রিপাবলিক অফ কঙ্গো, কিউবা, নিরক্ষীয় গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লাওস, লিবিয়া, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, সুদান, টোগো, তুর্কমেনিস্তান, ভেনেজুয়েলা এবং ইয়েমেন।
এই ১৯টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ নেই। সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ডধারী বাংলাদেশি নাগরিকদের তাদের দেশের ওপর ভিত্তি করে এই নির্দিষ্ট যাচাই আদেশের আওতায় পড়তে হবে না।
এই নতুন নির্দেশনাটি বর্তমান মার্কিন প্রশাসনের অধীনে কঠোর অভিবাসন প্রক্রিয়ার অংশ। এই প্রশাসন পূর্ববর্তী প্রশাসনের অধীনে অনুমোদিত আশ্রয়ের মামলাগুলোও পর্যালোচনার ইঙ্গিত দিয়েছে।








