বিয়ে করতে যাচ্ছেন তামিল ও তেলুগু চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণন। শোনা যাচ্ছে, খুব শিগগিরই তিনি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। সিনেমার পর্দার পাশাপাশি ভক্তরা এবার আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন তাকে নববধূর সাজে দেখার জন্য।
৪২ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী কখনোই নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি কথা বলেননি, যদিও অতীতে তার নাম জড়িয়েছিল অভিনেতা থালাপতি বিজয় ও ব্যবসায়ী বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে। তবে এবার শোনা যাচ্ছে, তৃষা জীবনের নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছেন।
দ্য সিয়াসাত ডেইলির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তৃষা কৃষ্ণনের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি নতুন সম্পর্কের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, পাত্র চণ্ডীগড়ের একজন ব্যবসায়ী, যিনি মূলত অস্ট্রেলিয়ায় নিজের ব্যবসা শুরু করে পরে তা ভারতে সম্প্রসারিত করেন।
জানা গেছে, দুই পরিবার বহুদিন ধরেই একে অপরের পরিচিত। যদিও তৃষা বা তার পরিবার এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি। কিংবা বিয়ের দিনক্ষণও এখনো কাউকে জানাননি।
এর আগে তৃষা তার বিয়ে নিয়ে চলা জল্পনা সম্পর্কে বলেছিলেন, তিনি বিয়ের ব্যাপারে উন্মুক্ত মনোভাব পোষণ করেন এবং “সঠিক মানুষটিকে” পেলেই বিয়ে করবেন। তার ভাষায়, “এখনও সঠিক সময় আসেনি।”
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে তৃষা কৃষ্ণন বাগদান করেছিলেন উদ্যোক্তা বরুণ মানিয়ানের সঙ্গে। তবে কিছুদিনের মধ্যেই সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। সে সময় গুঞ্জন ওঠে, বিয়ের পরও অভিনয় চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল।
অন্যদিকে, থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে তৃষার ঘনিষ্ঠতার গুঞ্জনও একসময় দক্ষিণের চলচ্চিত্র অঙ্গনে বেশ আলোচিত হয়। দুজন একসঙ্গে অভিনয় করেছেন বেশ কিছু হিট সিনেমায়— ঘিলি (২০০৪), তিরুপাচি (২০০৫), আথি (২০০৬), এবং কুরুভি (২০০৮)।
‘কুরুভি’-এর পর তারা আর একসঙ্গে কাজ করেননি, এবং তখনই তাদের সম্পর্ক নিয়ে গসিপ আরও বেড়ে যায়। এমনকি, খবর রটে যে বিজয়ের পরিবার তৃষার সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে বলেছিলেন। যদিও দুজনেই বরাবর দাবি করেছেন, তারা কেবল ভালো বন্ধু।

২০২৩ সালে তৃষা ও থালাপতি বিজয় আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরেছিলেন ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘লিও’-তে। এরপর তৃষা অভিনয় করেন বিজয়ের ২০২৪ সালের সিনেমা দ্য গ্রেটেস্ট অফ অল টাইম (গোট)-এর একটি গানে।
অন্যদিকে, থালাপতি বিজয় ১৯৯৯ সাল থেকে বিবাহিত। তার স্ত্রী সঙ্গীতা সর্নালিঙ্গম; তাদের দুই সন্তান— জেসন সঞ্জয় ও দিব্যা সাশা। টাইমস অব ইন্ডিয়া








