‘চ্যালেঞ্জের কিছু নেই। আমরা এ দেশের নাগরিক, সে হিসেবে আমাদের দেশকে কিছু দেয়া দরকার। আমরা রোহিঙ্গা না। দেশ আমাদের থাকতে দিয়েছে। দেশকে আমাদের কিছু দিতে হবে। এটা খেলোয়াড়দের মনে রাখলেই হবে।’
মেয়েদের সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরুর আগেরদিন বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ফুটবলারদের প্রতি এ কথাগুলোই বলেন বাংলাদেশ দলের কোচ সাইফুল বারী টিটু। শিরোপা ধরে রাখার মিশন নিয়ে টিম টাইগ্রেস নামবে বলে জানালেন।
জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার টিটু অবসরের পর কোচিংয়ে ক্যারিয়ার গড়েছেন। ক্লাব ও জাতীয় দলে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে। ছেলেদের জাতীয় দলের কোচ ছিলেন। বর্তমানে মেয়েদের ফুটবলের হেড কোচ। এবার বয়সভিত্তিক দলের দায়িত্ব কাঁধে নিয়েছেন।
ফুটবলাররা মাঠে খেললেও কোচ খেলার মোড় পরিবর্তনে ভূমিকা রাখেন। অভিজ্ঞতার বিচারে অংশগ্রহণকারী দলের কোচদের চেয়ে তিনি কিছুটা এগিয়ে আছেন। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ অন্য দলগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকবে কিনা প্রসঙ্গে টিটু বললেন, ‘হ্যাঁ, এটা ঠিক। খেলোয়াড় পরিবর্তন, ম্যাচের অবস্থা বুঝে কৌশল নির্ধারণে কোচের ভূমিকা থাকে। হয়তো আমার অভিজ্ঞতা এখানে কাজে লাগতে পারে। তবে কাজটা মূলত ফুটবলারদের। তাদের খেলার উপরই নির্ভর করে কোচ সফল হবে কিনা।’
আসরের প্রথমদিনে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ নেপাল। কমলাপুরে বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে হতে চলা খেলাটি নিয়ে বাঘিনীদের অধিনায়ক আফিদা খন্দকারের ভাষ্য, ‘প্রথম ম্যাচটি গুরুত্বপূর্ণ। নেপালের বিপক্ষে জিতে আমরা ফাইনালের পথে থাকতে চাই।’
লাল-সবুজের দলের মেয়ে ফুটবলাররা সাধারণত বাফুফে ভবনে অবস্থান করেই ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেন। বাফুফে ফুটবলারদের সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে নিজস্ব ভবনে রাখে। তবে এবার সাফে অংশ নিতে আসা দলগুলোর সঙ্গে স্বাগতিক দলের খেলোয়াড়রা হোটেলে থাকছেন।
বাফুফে ভবনের পরিবর্তে হোটেলে থাকা নিয়ে আফিদা বললেন, ‘আমরা এখানেও ভালো রয়েছি। সব দল একসঙ্গে রয়েছি। গতকাল সুইমিংপুলে আড্ডা দিয়েছি।’







