চলচ্চিত্র জগতে ক্যারিয়ার গড়ার আগে অনেক তারকাকেই খুব স্ট্রাগল করতে হয়। যেখানে প্রত্যেকেরই নিজস্ব গল্প থাকে। এখানে এমন একজন তারকার কথা বলা হচ্ছে, যিনি একসময় একজন প্রযোজকের ড্রাইভার ছিলেন!
কিন্তু তারপর এতটাই কঠোর পরিশ্রম করেছেন যে আজ তিনি একজন তারকা! তার একটি ছবি অন্যান্য অনেক বড় বড় তারকার ছবিকে ছাড়িয়ে গেছে। আর তিনি হলেন জাতীয় পুরষ্কারজয়ী অভিনেতা ঋষভ শেঠি।
ঋষভ শেঠি মূলত কন্নড় চলচ্চিত্র জগতের একজন তারকা। তিনি শুধু একজন অভিনেতাই নন, একজন সফল পরিচালক ও প্রযোজকও।
ঋষভ নিজেই একবার বলেছিলেন, ‘মুম্বাই আমার কাছে খুব বিশেষ, কারণ ২০০৮ সালে আমি আন্ধেরি পশ্চিমের একটি প্রোডাকশন হাউসে অফিস বয় ছিলাম। আমি একজন প্রযোজকের ড্রাইভারও ছিলাম, তাই বুঝতেই পারছেন সিনেমা কী করতে পারে। আমি কখনও কল্পনাও করিনি যে শুধু একটা সিনেমা করে আমি এত খ্যাতি, ভালোবাসা এবং আশীর্বাদ পাব। সেই সিনেমা প্রোডাকশন হাউসের কাছে রাস্তায় বড়া পাও খেতে খেতে আমি কখনও ভাবতেও পারিনি যে আমি এই পর্যায়ে পৌঁছাবো। আমি অত্যন্ত কৃতজ্ঞ।’
২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তুঘলক’ ছবির মাধ্যমে ঋষভ তার ক্যারিয়ার শুরু করেন। এই ছবিতে তিনি খলনায়কের ভূমিকায় অভিনয় করলেও ছবিটি হিট হয়েছিল। যদিও তার প্রথম ব্লকবাস্টার ছবি ছিল ‘লুসিয়া’, ‘বেলবটম’ও একটি ব্লকবাস্টার ছিল।
২০১৬ সালে ‘রিকি’ ছবির মাধ্যমে তিনি পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ছবিটি হিট হয়ে ছিল। তবে ‘কান্তারা’ ছবিটিই তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দেয়। ঋষভের শেষ ছবি ছিল ‘কান্তারা চ্যাপ্টার ১’, যা ২০২৫ সালে মুক্তি পায়। ঋষভ শুধু এই ছবিটি পরিচালনাই করেননি, এতে অভিনয়ও করেছেন।
‘কান্তারা চ্যাপ্টার ১’ বিশ্বব্যাপী ৮৫০ কোটি আয় করে। এটি ভিকি কৌশলের ‘ছাবা’, রজনীকান্তের ‘কুলি’ এবং আমির খানের ‘সিতারে জামিন পার’ ছাড়িয়ে ২০২৫ সালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী ছবি হয় ওঠে।


