দেশবিরোধী শক্তি সারাদেশে নানা ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরী করে অন্তর্বর্তী সরকারকে বিব্রত করার চেষ্টা করছে। দাবি আদায়ের নামে নানা ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হচ্ছে। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারকে কঠোর হতে হবে। প্রয়োজনে অযোগ্যদের বাদ দিয়ে দেশপ্রেমিক যোগ্য লোকদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিতে হবে। প্রফেসর ইউনূস এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পিছু হঠবার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান।
আজ শুক্রবার (২৩ মে) বিকেল ৩টায় আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) শাহজাদপুর উপজেলা শাখা আয়োজিত যোগদান ও জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সিরাজগঞ্জ জেলা শাখার আহবায়ক মুহাম্মদ আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় সহকারী দফতর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টি’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, এই সরকারের প্রধান কাজ হলো সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের ম্যান্ডেট বাস্তবায়ন করা। আমাদের দেশের মানুষের ব্যর্থতার জন্য ২০২৪ এর গণঅভ্যুত্থান ব্যর্থ হলে এর দায় রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃবৃন্দকে নিতে হবে। দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ আজ ব্যক্তি স্বার্থকে গুরুত্ব দিয়ে দেশের স্বার্থকে গুরুত্বহীন করে তুলছে।
তিনি আরও বলেন, জেন-জি/নতুন প্রজন্মকে বর্তমান সময়ের মীর জাফর ও লেন্দুপ দর্জিদেরকে চিনতে ও মনে রাখতে হবে। যারা দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে নিজেদেরকে গুরুত্বপূর্ণ আকারে হাজির করার চেষ্টা করছে।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, শাহজাদপুর উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হওয়ার পরেও আমরা সঠিকভাবে তাকে ব্যবহার করতে পারছি না। দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবসায়ীক এলাকা হওয়া সত্ত্বেও আমরা শাহজাদপুরকে গুরুত্বপূর্ণ আকারে হাজির করতে পারছিনা। আমরা আগামীদিনে শাহজাদপুর থেকে এবি পার্টির সংসদ সদস্য পদে আনোয়ার সাদাত টুটুলকে মনোনীত করবো। এবি পার্টির দায় ও দরদের রাজনীতি নিয়ে আমরা আপনাদের পাশে চাই। আধুনিক, ব্যবসা বেষ্টিত শাহজাদপুরকে আমরা উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তিনি সবাইকে এবি পার্টি’র পতাকা তলে সমবেত হওয়ার অনুরোধ জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আনোয়ার সাদাত টুটুল বলেন, শাহজাদপুর উপপ্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে। শাহজাদপুরের নেতারা টাকা পয়সা লুট করে দেশ বিদেশে বাড়ি গাড়ি করেছে। এখন সময় এসেছে এখানকার মৌলিক উন্নয়ন নিয়ে কথা বলার। একটি নদীর তীরে পৌরসভা হওয়ার পরও এখানে কোন জনসেবা নেই। এই ভাবে একটি ব্যবসা বান্ধবী নগর গড়ে উঠতে পারেনা। আমাদের তাঁত, নদী, মাছ এগুলোর সৎব্যবহারের মাধ্যমে শাহজাদপুরকে একটি শহর আকারে গড়ে তুলতে হবে।








