যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ফক্স বিজনেসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, আজ রাতেই ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের বচেয়ে বড় বোমাবর্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে। এই হামলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হবে।
আজ (৭ মার্চ) শনিবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তাশ নিউজ জানিয়েছে, বেসেন্ট অভিযোগ করেন, ইরান সামরিক পরাজয়ের পর এখন অর্থনৈতিক যুদ্ধে নেমেছে। তেহরান বিশ্বজুড়ে অর্থনৈতিক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। এই প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয়। ইরানের হুমকিতে বিশ্ব জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে।
এদিকে ইরানও পাল্টা হামলায় সফলতা দেখাচ্ছে। যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে জর্ডানের মুয়াফফাক সালতি এয়ার বেসে মোতায়েন মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার রাডার ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে তেহরান। স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, রাডারের চারপাশে কালো হয়ে যাওয়া এলাকা ও ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। এই রাডারের মূল্য প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার। এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।







