বেশ কয়েক বছর ধরে বাড়তে থাকা টাকার বিপরীতে ডলারের বিনিময় মূল্যের বাজারে এখন সুখবর। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ডলারের দাম কমেছে ৫০ থেকে ৭০ পয়সা।
সংশ্লিষ্টরা বলছে: গত কয়েক মাস ধরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে বড় প্রবৃদ্ধি এবং আমদানি বিল পরিশোধের চাপ কমাসহ নানা কারণে টাকার বিপরীতে ডলারের দাম কমছে। সামনের দিনে দাম আরও কমতে পারে।
জানা গেছে: গত বৃহস্পতিবারও রেমিট্যান্সের ডলার কিনতে ব্যাংকগুলোকে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ৬০ পয়সা পর্যন্ত দিতে হয়েছে। অথচ চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহেও ব্যাংকগুলোকে দিতে হতো ১২৩ টাকা থেকে ১২৩ টাকা ২০ পয়সা পর্যন্ত।
ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন: সামনের দিনগুলোতে ডলারের দাম আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে।
তারা বলছেন: আগামী কয়েক মাসে ডলারের চাহিদা বাড়ার বড় ধরনের কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ, বেশিরভাগ বিনিয়োগকারী নতুন বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আগামী নির্বাচনের অপেক্ষা করছেন। ফলে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত আমদানি বাড়বে না।
রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির কারণে ডলারের দাম কমছে বলে জানিয়েছেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
তিনি বলেছেন: বৈদেশিক মুদ্রাবাজার এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি সহজ হয়ে এসেছে। এর অন্যতম কারণ, ব্যাংকগুলোর ওভারডিউ পেমেন্টের পরিমাণ কমে এসেছে। ফলে এক্সচেঞ্জ রেটের ওপর আগে যে চাপটা ছিল, সেটাও কমে এসেছে।
এদিকে, বাজারে ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক আছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, আর্ন্তজাতিক দাতা সংস্থার চাপে এখনই ডলারের দাম পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হবে না।








