ইরানের বন্দরগামী ও বন্দর থেকে বের হওয়া জাহাজগুলোর ওপর মার্কিন সামরিক অবরোধ সোমবার থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানি বন্দর সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে লক্ষ্য করে এই অবরোধ কার্যকর করা হবে। তবে অন্য দেশ থেকে আসা বা অন্য গন্তব্যে যাওয়া জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচল করতে পারবে।
ট্রাম্পের কড়া বার্তা
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী সব জাহাজকে নজরদারিতে রাখা হবে এবং যারা ইরানকে ‘টোল’ দিয়েছে, তাদের থামানো হবে। তিনি আরও বলেন, প্রণালীতে ইরান যে মাইন পেতে রেখেছে বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলো ধ্বংস করা হবে।
কীভাবে কার্যকর হবে অবরোধ
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, সোমবার নির্দিষ্ট সময় থেকে অবরোধ কার্যকর হবে। ইরানের সব বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় এটি প্রযোজ্য হবে। তবে অ-ইরানি বন্দরগামী জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না
আইনগত প্রশ্ন ও বিতর্ক
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের অবরোধ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া, চলমান যুদ্ধবিরতির শর্তের সঙ্গেও এটি সাংঘর্ষিক হতে পারে বলে মত দিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
কেন এই পদক্ষেপ
হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ করে ইরান যুদ্ধের সময় কৌশলগত সুবিধা নিচ্ছে।
- জাহাজ চলাচল সীমিত করছে
- টোল আদায় করছে
- এতে তেলের দাম বাড়ছে
এই অবরোধের মাধ্যমে ইরানের আয় বন্ধ করে চাপ সৃষ্টি করাই যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বৈশ্বিক প্রভাব
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অবরোধ স্বল্পমেয়াদে খুব বড় পরিবর্তন না আনলেও পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত করে তুলবে। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি থাকলেও হরমুজ প্রণালী দিয়ে খুব কম সংখ্যক জাহাজ চলাচল করছে।
হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে এই নতুন উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।







