জনতার ভিড় ঠেলে অবশেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাসহ অসংখ্য নেতাকর্মী।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে নিয়ম অনুযায়ী সূর্যাস্তের আগে শ্রদ্ধা জানানো হয়। জনতার স্রোতে নির্ধারিত সময়ে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় বিকেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলের নেতারা।
এরপর শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে জনতার ভিড়ে ঠেলে স্মৃতিসৌধ এলাকায় পৌঁছান তারেক রহমান। সেখানে পৌঁছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে নিহত হওয়া বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরআগে, জুমার নামাজ শেষে গুলশানের বাসভবন থেকে প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন। এরপর লাল-সবুজ রঙের বুলেট প্রুফ বাসে করে স্মৃতিসৌধের পথে রওনা দেন তিনি।
২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছিলেন দলটির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান।
অন্যদিকে স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ভিড় করেছেন। তার নিরাপত্তার স্বার্থে জিয়া উদ্যান ও সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধসহ ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ, র্যাবের পাশাপাশি বিজিবি মোতায়েন করা হয়। সাদা পোশাকেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা রয়েছেন স্মৃতিসৌধ এলাকা ঘিরে।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জুলাই ৩৬ একপ্রেসওয়ে (৩০০ ফিট) সংলগ্ন এলাকায় অগণিত মানুষের সমাগম ঘটে। ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন জনসমাগমে ঢাকা মহানগরী জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
পরে বিকেলে রাজধানীর ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট) আয়োজিত বিশাল গণসংবর্ধনায় তিনি তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।








