আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিলেটে ক্যারিয়ারের ৯৯তম টেস্ট খেলে ফেলেছেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার ঢাকায় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে নামলে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে শততম টেস্ট খেলার মাইলফলকে নাম লেখাবেন। উইকেটরক্ষক-ব্যাটারের শততম টেস্ট ক্রিকেটপ্রেমীদের উদযাপন করা উচিৎ, বলছেন মুশির সাবেক সতীর্থ তামিম ইকবাল।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার দ্বিতীয় টেস্টে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড। ম্যাচ শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টায়।
তার আগে তামিম বলেছেন, ‘এতগুলো টেস্ট খেলা সম্ভব হয়েছে তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের জন্য। পাশপাশি শৃঙ্খলা, কঠোর পরিশ্রম এবং দূরদর্শিতাও ছিল। দেশের প্রতিটি ক্রিকেটপ্রেমীর এই অর্জনকে উদযাপন করা উচিত। এই টেস্টজুড়ে মুশফিককে প্রশংসা ও সম্মান জানানো উচিত। এই ম্যাচে তিনি ২০ রান করুন বা ২০০ রান, তার জন্য কোনরকম বিচার থাকা উচিৎ নয়।’
বাংলাদেশের ৪১তম ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল মুশফিকের। অভিজ্ঞতা টেনে তামিম বলেছেন, ‘তার জন্য এটি একটি বিশাল অর্জন। তিনি এমন একজন খেলোয়াড়, যিনি সত্যিই বাংলাদেশ দলের হয়ে ১০০ টেস্ট খেলার যোগ্যতা রাখেন। অনেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের তার পরে অভিষেক হয়েছে। যারা ইতিমধ্যে একশোর বেশি টেস্ট খেলে অবসর নিয়েছেন। এমনও একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশ দুই বছরেরও বেশি সময়ে মাত্র কয়েকটি টেস্ট খেলত।’
১৮২ ইনিংসে ৩৮এর বেশি গড়ে মুশফিক করেছেন ৬,৩৫১ রান। সেঞ্চুরি ১২টি, ফিফটি ২৭টি। উইকেটরক্ষক-ব্যাটার হিসেবে ৫৫ টেস্টে মুশফিকের ব্যাটে এসেছে ৩,৫১৫ রান। উইকেটরক্ষক হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ ৬ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি।
সেসব ঘিরে তামিম বলেছেন, ‘আমি তার সঙ্গে ১৭-১৮ বছর খেলেছি। তাকে অনেক বড় রানে যেতে দেখেছি। কিন্তু দীর্ঘ ইনিংস খেলার পর কখনও তাকে ক্লান্ত হতে দেখিনি। অনেক ক্রিকেটারকে বড় সেঞ্চুরি করার পর ক্লান্ত হতে দেখেছি, কিন্তু মুশফিককে কখনও না। সে যেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করে, তার ক্ষুধা তার ভেতরেই তৈরি। সে নিজের চেষ্টায় নিজেকে তৈরি করেছে। আমার বিশ্বাস, তার শেষ ম্যাচেও এই ক্ষুধা থাকবে।’








