সিলেট থেকে: বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) অভিষেক হওয়া নোয়াখালী এক্সপ্রেস একেবারেই সুবিধা করতে পারছে না। টানা তিন ম্যাচে হার দেখেছে নোয়াখালী। অন্যদিকে প্রথম জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে হারা রাজশাহী ফিরল জয়ে। নোয়াখালীকে ৬ উইকেটে হারিয়ে দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
আসরে প্রথম দুই ম্যাচে হারের পর তৃতীয় ম্যাচে অধিনায়ক পরিবর্তন করে নোয়াখালী। সৈকত আলীকে সরিয়ে নেতৃত্ব দেয়া হয় পাকিস্তানের হায়দার আলিকে। নতুন নেতৃত্বে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেটে ১২৪ রানে থামে নোয়াখালীর ইনিংস। জবাবে ৬ উইকেট ও ১৩ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে রাজশাহী।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অবশ্য শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। প্রথম ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানকে (২) বোল্ড করে ধাক্কা দেন হাসান মাহমুদ।
নাজমুল হোসেন শান্ত আর তানজিদ হাসান তামিম দ্বিতীয় উইকেটে ৩৮ বলে ৬৫ রানের জুটিতে সে ধাক্কা সামলে নেন।
শান্ত ২০ বলে ২৪ আর তামিম ২০ বলে ২৯ রান করে আউট হন। হুসাইন তালাতও ফেরেন ৩ করে। ৬ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে রাজশাহী।
সেখান থেকে অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম আর ইয়াসির আলী রাব্বি দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন। মুশফিক ৩০ বলে ২৮ আর ইয়াসির ২৬ বলে ২৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
নোয়াখালীর হয়ে হাসান মাহমুদ ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান খরচায় নেন ২টি উইকেট।
এর আগে নোয়াখালী ব্যাটারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৩ রান করেন হায়দার আলি। এছাড়া মাজ সাদাকাত ২৫ এবং মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ২২ রান করেন। শেষ দিকে মেহেদী হাসান রানা ১১ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। বাকিদের কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
রিপন মণ্ডল ৪ ওভারে ১ মেডেনসহ ১৩ রানে ৪ উইকেট নেন। তানজিম সাকিব ২টি এবং বিনুরা ফের্নান্দো ও হুসাইন তালাত নেন একটি করে উইকেট।








