জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হচ্ছে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর ১৫ জন ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে এ সম্মাননায় ভূষিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সংস্কৃতি ক্ষেত্রে এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন দুই গুণীজন। তাদের মধ্যে রয়েছেন টেলিভিশন উপস্থাপক, লেখক ও প্রযোজক হানিফ সংকেত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ উপস্থাপনার মাধ্যমে দর্শকমহলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। সামাজিক সচেতনতা ও বিনোদনের সমন্বয়ে নির্মিত এ অনুষ্ঠানটি দেশের টেলিভিশন অঙ্গনে বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।
এছাড়া সংস্কৃতি অঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন গুণী সংগীতশিল্পী বশির আহমেদ। চলচ্চিত্রের গানে তার কণ্ঠ পেয়েছিল ব্যাপক জনপ্রিয়তা। মাধুর্যময় কণ্ঠ ও শাস্ত্রীয় সংগীতে দখলের জন্য তিনি বিশেষভাবে সমাদৃত ছিলেন। তিনি উপমহাদেশের কিংবদন্তি শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ওস্তাদ বড়ে গুলাম আলী খান-এর কাছে তালিম নেন।
চলচ্চিত্র তালাশ-এ প্রখ্যাত শিল্পী তালাত মাহমুদ-এর সঙ্গে কাজ করে তিনি আরও খ্যাতি অর্জন করেন। তার গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে ‘আমাকে পুরাতে যদি এত লাগে ভাল’, ‘যারে যাবি যদি যা’, ‘অনেক সাধের ময়না আমার’ এবং ‘ডেকোনা আমারে তুমি কাছে ডেকো না’।
১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে আসছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেক ব্যক্তি পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা এবং একটি সম্মাননাপত্র পান।

