দেশ বিদেশের বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনীর পর এবার বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে মোহাম্মদ নূরুজ্জামান নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা ছবি ‘আম কাঁঠালের ছুটি’! আগস্টের ১৮ তারিখ থেকে দেশের বড় পর্দায় ছবিটি দর্শক দেখতে পারবেন।
ছবিটির মুক্তির তারিখ জানিয়ে নির্মাতা নূরুজ্জামান জানিয়েছেন, আগস্টের ১৮ তারিখ সিনেমাটি মুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। হাতে আছে ৩ সপ্তাহের মতো। আমরা মনে করি, মানুষের কাছে এই ছবিটি মুক্তির খবর পৌঁছে দিতে এই সময় যথেষ্ট!
শরীফ উদ্দিন সবুজের ছোটগল্প অবলম্বনে শিশুতোষ ঘরানার ছবি ‘আম কাঁঠালের ছুটি’। নির্মাতা নূরুজ্জামান জানিয়েছেন, গত শতাব্দীর সত্তর-আশি কিংবা মধ্য নব্বইয়ের দশকে যারা শৈশব-কৈশোর পার করেছেন তারা তাদের সেই বয়সের যাপিত জীবনকে নস্টালজিক আবহে তৈরি এই চলচ্চিত্রে দেখতে পাবেন।
নির্মাতা জানান, এই ছবি দেখার পর হারিয়ে যাওয়া কিংবা হারাতে বসা প্রাকৃতিক পরিবেশ আর আমাদের নিজস্ব লোকজ সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হবে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোররা। চলচ্চিত্রটির আন্তর্জাতিক সংস্করণের নামকরণ করা হয়েছে ‘সামার হলিডে’।
কারো সাথে মিশতে না পারা আট বছর বয়সী একটি শহুরে ছেলে গ্রীষ্মের ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে এসে কীভাবে নতুন এক জগৎ আবিষ্কার করে, খুঁজে পায় বন্ধুত্ব আর রোমাঞ্চের স্বাদ তারই আখ্যান এই পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
সিনেমাকার প্রযোজিত এই চলচ্চিত্রটির পিছনে রয়েছে দীর্ঘ সাত বছরের পরিশ্রম আর অধ্যবসায়ের গল্প। খুব ছোট একটি কারিগরী ইউনিট আর আনকোরা একদল অপেশাদার অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে গাজীপুরের হারবাইদ সংলগ্ন প্রায় পঁচিশ-ত্রিশ কিলোমিটার জুড়ে ছড়িয়ে থাকা লোকেশনে ধারণ করা এই চলচ্চিত্রের সিনেমাটোগ্রাফি করেছেন নির্মাতা নিজেই, সাথে ছিলেন ম্যাক সাব্বির।
প্রযোজনা, পরিচালনা, চিত্রনাট্য রচনার পাশাপাশি সাউন্ড ডিজাইনও করেছেন মোহাম্মদ নূরুজ্জামান। প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছে লিয়ন, জুবায়ের, আরিফ, হালিমা ও তানজিল। আরও ছিলেন ফাতেমা, কামরুজ্জামান কামরুল, আব্দুল হামিদ প্রমুখ। চলচ্চিত্রটির প্রধান সহকারী পরিচালক যুবরাজ শামীম।








