সত্তর ও আশির দশকে সিনেমার পোস্টার, রেডিওর বিজ্ঞাপন কিংবা রূপালী পর্দা সবখানেই ‘ড্যাশিং হিরো’ সোহেল রানার নাম শোনা যেত। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অসংখ্য সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রকে সমৃদ্ধ করেছেন এই অভিনেতা।
চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের রাখার জন্য ২০১৯ সালে তাকে ‘আজীবন সম্মাননা’ প্রদান করা হয়। গেল ২১ ফেব্রুয়ারি ৮০-তে পা রেখেছেন কালজয়ী ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রের প্রযোজক সোহেল রানা।
বয়স বাড়ার কারণে দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে আছেন তিনি। তার দিন কাটে সিনেমা, নাটক দেখে। সময় কাটান সোশাল হ্যান্ডেলে। দিনের বড় একটি অংশ কোরআন তিলওয়াত শোনেন, দেশ-বিদেশের নিউজগুলো জানার চেষ্টা করেন।
সোমবার কিংবদন্তী অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানার সঙ্গে আলাপ প্রসঙ্গে উঠে আসে সদ্য নির্বাচিত সরকার প্রসঙ্গে।
অনেকটা আক্ষেপের সুরে সোহেল রানা বলেন, আমাদের কেউ বলে কিংবদন্তী, কেউ মহান মুক্তিযোদ্ধা বলে থাকেন। কিন্তু অসুস্থ শরীরে হাসপাতালে গিয়ে দীর্ঘলাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, বিমানবন্দরে গেলে আলাদা কোনো সুযোগ সুবিধা পাই না, তাহলে এতো উপাধি দিয়ে কি হবে?
যারা দেশের নানা সেক্টরে অবদান রেখেছেন শেষ জীবনে তাদের কিছুটা বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশ্যে কথা বলেন সোহেল রানা।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রধান শহীদ জিয়ার রক্ত বহন করেন, আপোষহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার রক্ত বহন করেন। আমার মনে হয় তাকে এসব ব্যাপারে বলতে হবে না। তিনি সবকিছু বোঝেন, কেননা তার পরিবার থেকে হলেও তিনি আমাদের সম্পর্কে জেনেছেন। আশা করবো, এসব বিষয়টা তিনি দেখবেন।

