মেয়েদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে একটি নতুন সংযোজন এনেছে আইসিসি। প্রথমবারের মতো আইসিসির কোনো টুর্নামেন্টে চালু হতে চলেছে ‘স্মার্ট রিপ্লে সিস্টেম’।
ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে আগে ‘স্মার্ট রিপ্লে সিস্টেম’ ব্যবহৃত হলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথমবার এ প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা যাবে। আরও দ্রুত ও নিখুঁত সিদ্ধান্ত পাওয়া যাবে বলে আশা আইসিসির। বুধবার বিবৃতিতে জানিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতে গড়াতে চলেছে মেয়েদের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের নবম আসর। আসরের সবকটি ম্যাচে থাকছে ডিসিশন রিভিউ সিস্টেম (ডিআরএস)। প্রতিটি ম্যাচ সম্প্রচারে ব্যবহার হবে অন্তত ২৮টি ক্যামেরা।
বিবৃতিতে আইসিসি বলেছে, ‘ডিআরএসে এবার হক-আই স্মার্ট রিপ্লে সিস্টেম থাকবে। যার ফলে তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে ফুটেজ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন আম্পায়াররা।’
স্মার্ট রিপ্লে সিস্টেমের অধীনে টিভি আম্পায়ারের কক্ষে দুজন হক-আই অপারেটর সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকবেন। তারা মাঠজুড়ে থাকা ৮টি উচ্চগতি সম্পন্ন হক-আই ক্যামেরার ফুটেজ টিভি আম্পায়ারকে তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ করবেন। তৃতীয় আম্পায়ার ও হক-আই অপারেটরদের মাঝে সংযোগ স্থাপনের জন্য এখন আর টিভি ব্রডকাস্ট পরিচালকের প্রয়োজন পড়বে না। এখন যেকোনো বলের রিপ্লে দেখতে নিজের কক্ষে থাকা হক-আই পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের থেকে সরাসরি ফুটেজ পেয়ে যাবেন টিভি আম্পায়ার।
স্টাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে স্মার্ট রিপ্লে সিস্টেমে ট্রাই-ভিশনের মাধ্যমে সাইড-অন ক্যামেরার ফুটজ দেখেতে পারবেন টিভি আম্পায়াররা। পাশাপাশি একই ফ্রেমে ফ্রন্ট-অন ক্যামেরার ফুটেজও দেখতে পাবেন। এতে সিদ্ধান্ত নিতে আরও সুবিধা হবে আম্পায়ারদের।
আগে সাইড-অন ক্যামেরার পাশাপাশি স্টাম্প ক্যামেরার ফুটেজ দেখাতেন ব্রডকাস্টাররা। স্টাম্প ক্যামেরায় প্রতি সেকেন্ডে ৫০ ফ্রেমের ফুটেজ পাওয়া যেত। এখন হক-আই ফ্রন্ট-অন ক্যামেরার ব্যবহারের ফলে প্রতি সেকেন্ডে ৩০০ ফ্রেমের ফুটেজ পাওয়া যাবে। সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া আরও সহজ হবে।
গত সাউথ আফ্রিকায় আয়োজিত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের সবশেষ আসরের মতো এবারও নারীদের দিয়ে আম্পায়ার ও ম্যাচ রেফারি প্যানেল সাজানো হয়েছে।
বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে শারজায় স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশের মেয়েরা। বৃহস্পতিবার বিকেল চারটায় গড়াবে লড়াই।







