হরতাল-অবরোধের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামলো শোবিজ অঙ্গনের শিল্পীরা। শনিবার শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘ধ্বংসের বিরুদ্ধে শিল্পী সমাজ’ ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নেন তারা।
হরতাল-অবরোধে দেশের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির বিভিন্ন তথ্য ও চিত্র তুলে ধরেন শিল্পীরা। এসময় তারা শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
‘ধ্বংসের বিরুদ্ধে শিল্পী সমাজ’ ব্যানারে এই মানবন্ধনে উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী শমী কায়সার, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, রিয়াজ, তারিন জাহান, সালাহউদ্দিন লাভলু, মুশফিকুর রহমান গুলজার, চিত্রনায়িকা নিপুন, মাহিয়া মাহি, তানভিন সুইটি, অভিনেতা তুষার খান, সংগীতশিল্পী ধ্রুব গুহ, এসডি রুবেল, জোতিকা জ্যোতি সহ অনেক শিল্পী ও পরিচালক।
মানবন্ধনে রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেন,“সবাই বলে সংলাপ করেন, সবার সাথে সংলাপ করেন। কিন্তু যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, স্বাধীন রাষ্ট্রে যারা বিশ্বাস করেনি, স্বাধীন রাষ্ট্রের বিপক্ষে যারা ছিল, তাদের সঙ্গে বসে কখনও দেশ বিনির্মাণের গল্প হয় না।”
এসময় তিনি শেখ হাসিনা সরকারের প্রশংসা করে বলেন,“শেখ হাসিনা সরকারের জন্যই শহীদ পরিবার আজ মাথা তুলে দাঁড়াতে পেরেছে। আমরা দেখেছি এক সময় তাদেরকে এই দেশে লাঞ্ছিত হতে হয়েছে। বাংলাদেশের শিল্পী সমাজ সব সময় সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছে, তারা সত্যকে লালন করে, সত্যের জন্য কথা বলেছে। আর সেই সত্যটি হলো মুক্তিযুদ্ধ।”
মানববন্ধনে চিত্রনায়ক ফেরদৌস বলেন, ‘আমার বাচ্চারা আজ বন্ধের দিনে পরীক্ষা দিচ্ছে। অবরোধের কারণে তারা রবিবার অনলাইন ক্লাস করছে। বাচ্চারা যখন এ বিষয়গুলো জানতে চায় আমরা উত্তর দিতে পারি না। তারা ভিন্ন মানসিকতা নিয়ে বেড়ে উঠছে। এখনকার শিক্ষার্থীরা হরতাল-অবরোধ চায় না, কারণ স্মার্ট হিসেবে গড়ে উঠছে। বর্তমান সরকারের দোষ কী? পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি করেছে এগুলো? এগুলো কারও দোষ হলে আমরা সেই দোষীর পক্ষেই রয়েছি। আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভোট দিয়ে পুনরায় জয়ী করতেই সকল শিল্পী সমাজ এখানে দাঁড়িয়েছে।’
এসময় সব শিল্পীই আগামী ৭ জানুয়ারি আরও একবার মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা জানান, শেখ হাসিনার কোনও বিকল্প নেই, শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারও ওপর আমাদের আস্থা নেই। শেখ হাসিনাতেই আমাদের আস্থা, শেখ হাসিনাতেই আমাদের বিশ্বাস। শেখ হাসিনার হাতে আমাদের দেশ সবচেয়ে নিরাপদ।








