“সিনেমার আগের সেই দিন নাই। মাঝেমধ্যে তুফানের মতো ছবি দেখা যায়। তাও সেটা একমাত্র শাকিব করে। এই একটা ছেলেই আছে যার ছবির প্রতি মানুষের আগ্রহ দেখা যায়, হল মালিকরা অপেক্ষায় থাকে। এজন্য শাকিবকে দিয়ে মুক্তির আগে কমপক্ষে তিন কোটি টাকা তোলা সম্ভব।”
এই কথাগুলো কিংবদন্তী নির্মাতা কাজী হায়াতের। টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টেজাব) আয়োজিত ‘সিনেমার ভবিষ্যৎ’ নিয়ে আলাপকালে সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেন।
আলোচনায় সিনেমার সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। যেখানে প্রযোজক, পরিচালক থেকে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। সেখানে ঘুরেফিরে চলচ্চিত্রে শাকিবের অবদান উঠে আসছিল।
কাজী হায়াৎ বলছিলেন, শাকিবের প্রতি মানুষ আগ্রহ দেখায়। সে ১০০-তে ১০০ কিন্তু অন্যরা মাত্র ১০। এই একটি ছেলে সিনেমাকে দীর্ঘবছর ধরে টিকিয়ে রেখেছেন। তবে একজন দিয়ে ইন্ডাস্ট্রি আর কতদিন টিকবে?
“শাকিবের বাইরে আর কারা ছবি করছেন? শাকিবই দেখি শুধু আছে। এ কারণে সবখানে তাকে নিয়ে আলোচনা হয় এবং হবে।”
কাজী হায়াত বলেন, সিনেমা মানুষকে হাসায় কাঁদায়। কিন্তু এই সিনেমা না দেখায় মানুষের আবেগ কমে যাচ্ছে, দিনদিন সবাই হৃদয়হীন হয়ে যাচ্ছে। আমি সেন্সর বোর্ডের মেম্বার হওয়ায় সব ছবি দেখতে হয়। অনেক ছবি হচ্ছে, সবগুলো ছবি বসে বসে দেখতে হয়। মাঝেমধ্যে খুব দুর্বিসহ লাগে সেইসব ছবিগুলো দেখতে। কারণ থাকেনা কোনো নান্দনিকতা, পাই না সঠিক কোনো বক্তব্য। কী লাভ এসব ছবি করে?
টেজাব সেমিনারে অন্যানের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর, সিনেপ্লেক্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর খালেদ আহমেদ শাম্মি, তারিক আনাম খান, রায়হান রাফি, গিয়াস উদ্দিন সেলিম, আরিফুর রহমান (নির্মাতা ও প্রযোজক), তিতাস জিয়া (অভিনেতা, শিক্ষক, সদস্য পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি), মো. মনিরুজ্জামান খান (নির্বাহী প্রকৌশলী, বিএফডিসি), টেজাব সভাপতি নাজমূল আলম রানা, সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ জয় প্রমুখ।








