জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব ও সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। ডিবি কার্যালয়ে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে
আজ রোববার তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আব্দুল্লাহ শওকত মাহমুদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছেন।
তিনি ফেসবুকে পোস্ট করে জানিয়েছেন, জাতীয় প্রেসক্লাব ও বিএফইউজের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদকে বাসার সামনে থেকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, শওকত মাহমুদ বর্তমানে ডিবি হেফাজতে রয়েছেন। আজ বিকেলে তার মালিবাগের বাসা থেকে তাকে নিয়ে আসে ডিবির একটি টিম।
তাকে কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন এ সম্পর্কে আমার কাছে কোন তথ্য নেই।
গত ২৫ এপ্রিল চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন ও সাবেক বিএনপি নেতা শওকত মাহমুদের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দল ‘জনতা পার্টি বাংলাদেশ’ আত্মপ্রকাশ করে। দলের চেয়ারম্যান হন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। আর মহাসচিব করা হয় শওকত মাহমুদকে।
২০২৩ সালে দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদকে বহিষ্কার করা হয়।
এরআগে ২০১৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের (একাংশের) সভাপতি থাকাকালীন শওকত মাহমুদকে পুরনো একটি মামলায় আবারও গ্রেফতার (শ্যোন অ্যারেস্ট) দেখানো হয়েছিল। ২০১৫ সালের ১৮ আগস্ট নাশকতার বিভিন্ন মামলায় রাজধানীর বসুন্ধরা সিটির সামনে থেকে শওকত মাহমুদকে আটক করা হয়।








