নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভী উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও মুক্তি পাচ্ছেন না। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে মোট ১১টি মামলা চলমান।
আজ (২৮ ফেব্রুয়ারি) শনিবার দশটি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন হলেও ২০২৪ সালের ২০ জুলাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিদ্ধিরগঞ্জের সেলিম মণ্ডল হত্যা মামলায় তাকে শ্যোন এরেস্ট দেখিয়েছে পুলিশ।
এছাড়া হাইকোর্টের পৃথক বেঞ্চ বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহের গত ২৬ ফেব্রুয়ারি পাঁচটি মামলায় তাকে জামিন দিয়েছেন। তবে কারাগার থেকে মুক্তির প্রক্রিয়া শুরুর আগেই সিদ্ধিরগঞ্জের নতুন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী জানিয়েছেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় চিটাগাং রোড এলাকায় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের নিচতলায় অগ্নিসংযোগে তিন শ্রমিকসহ ব্যাংকের ডেকোরেশনে নিয়োজিত সেলিম মণ্ডল নিহত হন। মামলার এজাহারে সাবেক মেয়রের ‘সম্পৃক্ততা’ পায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই মাছুম বিল্লাহ।
গত বৃহস্পতিবার ডা. আইভী ফতুল্লা থানায় দায়ের করা চারটি হত্যা মামলা ও সদর মডেল থানায় পুলিশের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় জামিন পান। তবে সিদ্ধিরগঞ্জের নতুন মামলাটি তার কারামুক্তির পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি হত্যা মামলা আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
ডা. আইভীকে ২০২৫ সালের ৯ মে ভোররাতে দেওভোগ এলাকায় পৈত্রিক নিবাস ‘চুনকা কুটির’ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তার আইনজীবীরা একের পর এক গ্রেপ্তারের ঘটনা আইনগত হয়রানি বলে অভিযোগ করেছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিটি মামলা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে দায়ের করা হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।








