গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার কান্দি ইউনিয়নে মাচারতারা এলাকায় পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহম্মেদের স্ত্রী জিসান র্মীজা ও তার কন্যা ফারহিন রিসতি বিনতে বেনজীরের নামে আরও ১১ একর ৪৯ শতাংশ জমির সন্ধান পাওয়া গেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে বেনজীর আহম্মেদের স্ত্রী জিসান র্মীজা ও তার কন্যা ফারহিন রিসতি বিনতে মালিকাণাধীন জমিতে করা মাছের ঘের থেকে ১৭ কেজি রুই মাছ চুরি করে পালানোর সময় ৩ যুবককে আটকের পর বেনজীর আহম্মেদের স্বজনদের এই জমির তথ্য ফাঁস হয়।
বেনজীরের স্ত্রী-কন্যাসহ ৩ জনের মালিকানাধীন বিশ বিঘারও বেশি এই জমির তথ্য গণমাধ্যমের কাছে কেন গোপন রাখা হয়েছে তা এখনও জানা যায়নি। গ্রেপ্তাররা হলেন, কোটালীপাড়া উপজেলার ডহরপাড়া গ্রামের কুঞ্জ সমদ্দারের ছেলে কিশোর সমদ্দার (২০), ফায়েক শেখের ছেলে আলামিন শেখ (২৮) ও পশ্চিমপাড়া গ্রামের তৈয়াবুর রহমানের ছেলে মনির হোসেন (৫০)।
কোটালীপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার এস এম শাহজাহান সিরাজ বলেন, গত ২৩ মে ঢাকার বিজ্ঞ মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামীয় সম্পত্তি ক্রোক করে রিসিভার নিয়োগ দিয়েছেন।
তিনি বলেন, সে অনুযায়ী বেনজীর আহমেদের স্ত্রী জিসান মির্জা ও মেয়ে ফারহিন রিসতা বিনতে বেনজীরের কান্দি ইউনিয়নের গজালিয়া মৌজার মাচারতারা বিলের ঘেরটি মৎস্য অধিদপ্তরকে রিসিভার নিয়োগ দিয়েছে। তাই ওই ঘের থেকে মাছ ধরার কথা জানতে পেরে আমি আমার জেলা কর্মকর্তাকে জানাই।
তিনি আরও বলেন, তিনি আমাকে মাছ ধরা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের সহযোগিতায় কিশোর সমদ্দার, আলামিন শেখ ও মনির হোসেনকে আটক করি। এসময় তাদের কাছ থেকে ১৭ কেজি রুই মাছ ও ১টি জাল জব্দ করা হয়।
শাহজাহান সিরাজ বলেন, এই ঘটনায় আমার দপ্তরের অফিস সহায়ক তৈমুর হাওলাদার বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে কোটালীপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।








