কিংবদন্তি অনিল কুম্বলের হাত থেকে নিলেন টেস্ট ক্যাপ। ভারতীয় দলের বাকি খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অভিনন্দিত হলেন। এ সময় মাঠে উপস্থিত সরফরাজের বাবা আবেগে চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। এ যেন ছিল সন্তানের জাতীয় দলে জায়গা করে নিতে সংগ্রামের শুভ সমাপ্তির আনন্দ অশ্রু। আবেগঘন মুহূর্তে অভিষিক্ত ক্রিকেটার নিজের বাবা ও মাকে জড়িয়ে ধরেন। সরফরাজের বাবা টেস্ট ক্যাপে চুমুও খান।
ঘরোয়া ক্রিকেটে অন্যতম সফল খেলোয়াড় সরফরাজ মুম্বাইয়ের হয়ে খেলেন। দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে আইপিএলে খেলেন ২৬ বর্ষী এ ক্রিকেটার। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তিনি দুইবার ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ব্যাট হাতে গড় ছিল ৭০-এরও বেশি। হ্যারিস শিল্ডে কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ৪২১ বলে ৪৩৯ রানের বিশাল ইনিংস খেলেন।
রঞ্জি ট্রফিতে মুম্বাইয়ের হয়ে রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। ৪৫টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচের ৬৬টি ইনিংসে ব্যাট করে ৬৯.৮৫ গড়ে ৩,৯১২ রান সংগ্রহ করার পর সরফরাজের ভাগ্য খুলেছে। ধারাবাহিকতা ধরে রেখে প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ১৪টি সেঞ্চুরি ও ১১টি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন। তার সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস অপরাজিত ৩০১ রানের, স্ট্রাইকরেট ৭০.৪৮।

একটানা ভালো পারফরম্যান্স করেও ভারতীয় দলে তার সুযোগ না পাওয়া নিয়ে চলছিল ব্যাপক আলোচনা। সরফরাজ নিজেও একবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার রাজকোট টেস্টে টিম ইন্ডিয়ার হয়ে অভিষেকটা হয়েই গেল। রঞ্জি ট্রফিতে তিনি মুম্বাইয়ের হয়ে রানের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন। সেঞ্চুরি ও ডাবল সেঞ্চুরিও করেছেন। উইকেটরক্ষকের কাজটাও চালিয়ে নিতে পারেন।
সবশেষ বিশাখাপত্তম টেস্টে জেতা ভারতের একাদশে এসেছে চারটি পরিবর্তন। সরফরাজের সঙ্গে উইকেটরক্ষক ব্যাটার ধ্রুব জুরেলেরও হয়েছে অভিষেক। দলে ফিরেছেন মোহাম্মদ সিরাজ ও রবীন্দ্র জাদেজা।
চোটের কারণে খেলতে পারছেন না লোকেশ রাহুল। বাদ পড়েছেন শ্রেয়াস আয়ার। অক্ষর প্যাটেল ও মুকেশ কুমারও একাদশে নেই।







