প্রথমবার সাইফ হাসানকে নিয়ে আফগানদের বিপক্ষে ওয়ানডে দল সাজিয়েছে বাংলাদেশ। এবার পালা ওয়ানডেতে তাকে লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষেক হতে দেখার। টি-টুয়েন্টিতে ধারাবাহিক ব্যাটে ভালো করছেন সাইফ। এশিয়া কাপে তার ব্যাটে এসেছিল টাইগারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রান।
আরব আমিরাতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টির তিন ম্যাচের সিরিজে সবকটিতে জিতেছে বাংলাদেশ। বুধবার বাংলাদেশ সময় ৬টায় ওয়ানডে সিরিজে নামবে বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের বিপক্ষে। আবুধাবির শেখ জায়েদ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে খেলা। ম্যাচে অভিষেক হতে পারে ফর্মে থাকা সাইফের।
অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বে ভালো সময় পার করছে না টাইগার দল। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে সবশেষ পাঁচটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজের চারটি হেরেছে বাংলাদেশ।
ছন্দহীন দলে ব্যাট হাতে নিজেকে রাঙ্গাতে পারেন ছোটো সংস্করণের ক্রিকেটে ছন্দে থাকা ব্যাটিং-অলরাউন্ডার সাইফ। সুযোগ হাতছানি তার সামনে। ২৬ বর্ষী সাইফ টি-টুয়েন্টিতে সম্প্রতি তিনটি অর্ধশতকের ইনিংস খেলেছেন। শেষ ম্যাচেও আফগানদের বিপক্ষে করেছেন ৬৪ রান। এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে ক্যারিয়ার সর্বোচ্চ ৬৯ ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেন ৬১ রানের ইনিংস।
বল হাতে তেমন জ্বলে উঠতে পারেননি সাইফ। টি-টুয়েন্টিতে সাত ইনিংসে বল করেছেন। দুই উইকেট পেয়েছেন। টেস্টে পেয়েছেন একটি উইকেট।

লাল বলের ক্রিকেটে সাইফের অভিষেক হয়েছিল ২০২০ সালে, রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে। পরে পাকিস্তানের বিপক্ষেই ২০২১ সালে চট্টগ্রামে খেলেছিলেন সবশেষ ম্যাচ। দীর্ঘসময় সাদা জার্সিতে মাঠে না নামলেও এবারের অপেক্ষা ওয়ানডে অভিষেকের।
ম্যাচের আগে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ বলেছেন, ‘ওয়ানডে ম্যাচগুলো যেভাবে খেলেছি অনেক দীর্ঘ বিরতির পড়ে খেলেছি। ধারাবাহিক খুব কমই খেলেছি। এজন্য এই সমস্যাটা হয়েছে। অনেকদিন বিরতির পর খেলেছি। কাজটা কঠিন তবুও আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি। ওয়ানডে খেলোয়াড়রা দেশ থেকে ভালো অনুশীলন করে এসেছি।’
‘আমরা সবাই জানি এই সিরিজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করাটা অনেক জরুরি, সেরা ৮ দলে যাবে।’








