মাত্র ১৫ বলে করেন ৫০, ৮ চার ও ৭ ছক্কায় ২৬ বলে ৭৮ করে দলকে জয়ের খুব কাছাকাছি নিয়ে থেমেছিল বৈভব সূর্যবংশীর ইনিংস। আইপিএল জুড়ে গড়েছেন একের পর এক এক কীর্তি। তবুও ম্যাচের পরে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভারতের ১৫ বর্ষী বিস্ময়বালক।
রয়্যাল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গুলুরুর দেয়া ২০২ রানের লক্ষ্য দুই ওভার হতে রেখেই ৬ উইকেটে জিতেছিল রাজেস্থান রয়্যাল। এ ম্যাচে ফিফটির দেখা পান ১৫ বলে, এমনকি একই আসরে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষেও ১৫ বলে ফিফটি করেছিলেন সূর্যবংশী। গত আসরে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৭ বলে ৫০ করেন তিনি। আইপিএলের এক মাত্র খেলোয়াড় হিসেবে, ১৮ বলের নিচে তিনটি ফিফটি মালিক এ কিশোর তারকা।
আইপিএলে দ্রুততম ফিফটির তালিকায় তার নাম আছে দুইবার। ১৫ বলে অর্ধশতক করে ইউসুফ পাঠানের সাথে তালিকায় আছেন তিন নাম্বারে।
আইপিএলে ২০ বলের নিচে নিকোলাস পুরান এবং অভিষেক শর্মার ৪টি ফিফটির পরেই দ্বিতীয় স্থানে আছে সূর্যবংশীর নাম। তার তিনটি ফিফটির সঙ্গে আছেন ট্রাভিস হেড এবং জেক ফ্রেজার-ম্যাগার্কও।
তবে এত কিছুর পরেও খুশি নন এ ব্যাটার। ম্যাচ শেষে কিছুটা দুঃখ প্রকাশ করেন সূর্যবংশী। বলেছেন, ‘আমি উইকেটে টিকে থাকলে আরও ১০-২০ রান করে, আমরা লক্ষ্য তাড়া করতে পারতাম। তাহলে দুই ওভার আগেই খেলা শেষ করে দিতে পারি, অথবা যদি আমরা লক্ষ্য ঠিক করে দিই, তাহলে আরও ১০-২০ রান করা সম্ভব।’
‘তারা আমাকে সবসময় বলে যে এটা একটা দীর্ঘ যাত্রা এবং আমার মনোযোগ শুধু খেলার উপরেই থাকা উচিত।’
তবে আরসিবির অধিনায়ক মুগ্ধ সূর্যবংশীর ব্যটে। ম্যাচ শেষে রাজাত পাতিদার বলেছেন, ‘আমার মনে হয়, পাওয়ারপ্লেতে তাদের ব্যাটাররা খুবই ভালো, বিশেষ করে বৈভব, যেভাবে ব্যাটিং করেছে, তা একটা বিরাট পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।’







