সৌদি আরবের ক্লাব আল-নাসেরে নাম লিখিয়ে পরিচয় পর্বও সেরে ফেলেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে এখনই অভিষেক হচ্ছে না পর্তুগিজ মহাতারকার। পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে মাঠে নামতে অপেক্ষা করতে হবে আরও দুই ম্যাচ। কেননা সিআর সেভেন রয়েছেন দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায়।
গত এপ্রিলে এভারটনের কাছে হেরেছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। পরাজয়ের পর রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি তখন রেড ডেভিল জার্সিতে খেলা রোনালদো। ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় ১৪ বছর বয়সী জ্যাকব হার্ডিং নামের এক খুদে ভক্তের ফোন আছড়ে ভেঙে দেন। বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেননি জ্যাকবের মা। পুলিশে অভিযোগ জানান। অভিযোগের তদন্তে নেমেছিল মার্শেসাইড পুলিশ। রোনালদোকে ডেকে সতর্ক করে তারা।
গুডিসন পার্কে ঘটানো কৃতকর্মের জন্য পরে অবশ্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন রোনালদো। জ্যাকবকে আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন মাঠে। বিষয়টি সেখানেও শেষ হয়নি। আলাদা তদন্ত করে এফএ। শেষে শাস্তি পেতে হয় পর্তুগিজ কিংবদন্তিকে। দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি অর্থদণ্ডও দেয়া হয়।
রোনালদো ভেবেছিলেন ইতিমধ্যে শাস্তি কাটিয়ে ফেলেছেন। যেহেতু বিশ্বকাপের আগে ফুলহ্যামের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি খেলেছিল ম্যানচেস্টার। বিশ্বকাপের পর খেলেছে বার্নলির বিপক্ষে। কিন্তু ওল্ড ট্রাফোর্ডের সঙ্গে চুক্তি বাতিল হয়ে যাওয়ায় সেই দুই ম্যাচের দলে ছিলেন না পর্তুগিজ সুপারস্টার। নিষেধাজ্ঞা নিয়েই তাই নতুন ক্লাবে যাত্রা করতে হয়েছে।
খেলোয়াড়দের অবস্থান ও স্থানান্তরের বিষয়ে ফিফার রেগুলেশনের ১২.১ ধারা এমনই জানাচ্ছে। কোনো খেলোয়াড় যদি তার অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা শাস্তিপ্রাপ্ত হন এবং ক্লাব পরিবর্তন করেন, তাহলে পূর্বের শাস্তি নতুন ক্লাবে বহাল থাকবে। অর্থাৎ, ম্যানচেস্টার ছাড়ার পরও শাস্তি থেকে রেহাই মেলেনি সিআর সেভেনের। আল-নাসেরের হয়ে বৃহস্পতিবার তাই অভিষেকও হচ্ছে না তার।








